নাসিম রুমি: গেল ৫ মার্চ ভারতের বিধানসভায় রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন চিত্রনায়িকা কোয়েল মল্লিক। এরপর সোমবার (৯ মার্চ) বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় রাজ্যসভায় নির্বাচিত হওয়ার শংসাপত্র গ্রহণ করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর কোয়েল বলেছিলেন, ‘অসাধারণ লাগছে। এটা একটা বিশাল বড় দায়িত্ব।
সবার কাছ থেকে আর্শীবাদ চাইব, যাতে মানুষের উপকারে লাগতে পারি। মানুষকে সাহায্য করতে পারি, ভাল রাখতে পারি।’
এদিকে অভিনেত্রীর ভোটে দাঁড়ানো নিয়ে নানাজনের নানা মত। এমনকী, কোয়েল-ভক্তদের মধ্যে অনেকেই একেবারে খুশি নন তার রাজনীতিতে পা রাখার সিদ্ধান্তে।
ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই বিতর্ক থেকে দূরে রেখেছেন কোয়েল। কালিমালিপ্ত হতে দেননি নিজেকে। তাই আচমকাই রাজনীতিতে পা রাখার সিদ্ধান্ত যেন বিশ্বাসই করতে পারেননি অনেকে। সম্প্রতি শ্রীলেখা তৃণমূলে কোয়েলের নাম লেখানো নিয়ে খুললেন মুখ।
শ্রীলেখা বলেন, ‘শুনলাম ও দেশের সেবা করতে চায়। ভালো কথা দেশের সেবা। দেসের সেবা করতে চাওয়া প্রশংসনীয়।’ যদিও শ্রীলেখা স্পষ্ট করে দেন যে, যেহেতু তিনি তৃণমূল কংগ্রেস দলের সাপোর্টার নন, তাই মন থেকে শুভেচ্ছাবার্তা জানাতে পারছেন না। যদিও কোয়েলের প্রশংসাই শোনা গেল তার গলাতে।
শ্রীলেখা আরও বলেন, ‘আমি আসলে তৃণমূল সাপোর্টার নই তো, তাই শুভেচ্ছাটা ঠিক মন থেকে জানাতে পারব না। ওকে এমনি ব্যক্তি হিসেবে পছন্দ করি। রঞ্জিত কাকুর সঙ্গে কাজ করেছি, ওদের পরিবারের সঙ্গে একটা সময় খুব সুসম্পর্ক ছিল। কিন্তু যেটা পারব না… কোয়েলকে মন থেকে শুভেচ্ছা জানাতে পারব না।’
এদিকে, কোয়েলের রাজনীতিতে পা রাখা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রঞ্জিত মল্লিক জানিয়েছিলেন, ‘কোয়েল বড় হয়েছে। বুঝদার মেয়ে। ওকে আলাদা করে বলার কিছু নেই। খুবই বুদ্ধি নিয়ে কাজ করে। এ ক্ষেত্রেও তেমনই করবে। বাবা হিসাবে যা যা বলার সেটুকু বলেছি। সৎ পথে থেকে ভালো কাজ করুক, এটাই চাওয়া।’
কাজের সূত্রে কোয়েলকে সিনেমায় শেষ দেখা গেছে ‘মিতিন মাসি’র তৃতীয় কিস্তিতে। যা মুক্তি পেয়েছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। আপাতত খবর, দেবের সঙ্গে ‘খাদান ২’-তে কাজ করবেন তিনি।
