অক্ষয় কুমার তার ক্যারিয়ারের শুরুটা অ্যাকশন সিনেমার মাধ্যমে করেছিলেন। সে কারণে তাকে অ্যাকশন হিরোদের তালিকায় গণ্য করা হয়। শুভঙ্কর মিশ্রের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে অক্ষয় কুমার জানিয়েছিলেন, স্টান্ট করার সময় তিনবার তার জীবনমৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে।
সিনেমায় অভিনয়ে একজন অত্যন্ত বিপজ্জনক স্টান্টগুলো তিনি নিজে থেকেই করেন। প্রায়শই এ কারণে তার জীবনও বিপদে পড়ে। সম্প্রতি অক্ষয় কুমার জানিয়েছেন, কীভাবে তিনবার তিনি শুটিং সেটে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন।
প্রথম ঘটনাটি তিনি তার ‘সৈনিক’ সিনেমার কথা বলেছেন। এ সিনেমাটি ১৯৯৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল। সেই সিনেমার একটি দৃশ্যে অক্ষয় কুমারকে একটি তারে ঝুলে এক বিল্ডিং থেকে অন্য বিল্ডিংয়ে যেতে হয়েছিল। অক্ষয় কুমার বলেন, তিনি ভেবেছিলেন এটি করতে পারবেন, কিন্তু মাঝপথে তার হাত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তিনি উঁচু থেকে পড়ে যাওয়া থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যান।
অক্ষয় কুমার এমন অভিনেতাদের মধ্যে পড়েন, যারা সিনেমায় স্টান্ট করার জন্য বেশিরভাগ সময় বডি ডাবল ব্যবহার করেন না। তিনি নিজের স্টান্ট নিজেই করতে পছন্দ করেন। সে কারণে প্রায়শই তার জীবন বিপদে পড়ে।
সম্প্রতি অক্ষয় কুমার তিনটি ভিন্ন সিনেমার ঘটনা বলতে গিয়ে বলেছেন, কীভাবে তিনবার তার জীবনমৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন। তিনি বলেন একবার তার বুকের কাছ থেকে শরীরের একাংশ প্রায় কেটে গিয়েছিল। কিন্তু সৌভাগ্যবশত তিনি বেঁচে যান।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ঘটনাটি তিনি তার ‘ইন্টারন্যাশনাল খিলাড়ি’ সিনেমার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, কীভাবে একটি স্টান্টের সময় তার শরীরের একাংশ প্রায় কেটে গিয়েছিল। দৃশ্যটির কথা স্মরণ করে এ খিলাড়ি বলেন, তিনি একটি নৌকা থেকে ঝুলছিলেন এবং সামনে একটি ক্যাটামারান চলে আসে। সেদিন তার শরীরের একাংশ কেটে যেত। তিনি কোনোমতে বেঁচে যান।
তৃতীয় ঘটনাটি তিনি ‘খিলাড়ি ৭৮৬’ সিনেমার একটি স্টান্টের সময়কার কথা। তিনি বলেন, যেখানে তাকে একটি হেলিকপ্টার থেকে হট এয়ার বেলুনে নামতে হয়েছিল। সেই দৃশ্যটি করার সময়ও তার জীবনমৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিল।
অক্ষয় কুমারকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, তিনি এখনো নিজে স্টান্ট করেন কিনা। তিনি অ্যাওয়ার্ড শোতে নিজেকে আগুন লাগিয়ে দেন। এসব দেখে তার স্ত্রী টুইঙ্গেল খান্না তাকে বারণ করেন না? এখন টুল খান্না এসবের সাথে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন।