বিগত কয়েক মাস ধরেই বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার শানু ব্যক্তিগত জীবনের কারণে আলোচনায় রয়েছে। সাবেক স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছিলেন এই গায়ক। গায়কের করা এই মামলায় তার পক্ষেই রায় দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে, রীতা ভট্টাচার্য যেন কুমার শানুর বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আর কোনো মানহানিকর মন্তব্য না করেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে কুমার শানুর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন রীতা ভট্টাচার্য। তিনি দাবি করেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাকে চরম কষ্টের মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে এবং শানুর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগও আনেন।
এসব বক্তব্যে শানুর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে দাবি করে তার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি রুপির মানহানির মামলা করেন গায়ক।
আদালতে শানুর আইনজীবীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, রীতার বক্তব্যের কারণে গায়ক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন এবং আর্থিক ক্ষতিরও সম্মুখীন হয়েছেন। সেই যুক্তির ভিত্তিতেই আদালত শানুর পক্ষেই রায় দেয় এবং রীতাকে ভবিষ্যতে শানুকে নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়।
মামলা চলাকালীন রীতা ভট্টাচার্য তা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিলেন। তবে আদালত কুমার শানুর দাবিকে আমলে নিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন যেন রীতা গায়ককে নিয়ে কোনো ধরনের বিরূপ মন্তব্য না করেন। এছাড়া কুমার শানু দাবি করেছিলেন যে, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত তার মানহানিকর সাক্ষাৎকারগুলো মুছে ফেলতে হবে।
উল্লেখ্য, ‘বিগ বস্’-এ অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দ কুমার শানুর সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা প্রকাশ করার পর থেকেই বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রীতা ভট্টাচার্য এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, বিয়ের পর তিনি যখন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তখনই গায়ক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। সেই সময়ে বিষয়টি নিয়ে তাকে আদালতে পর্যন্ত যেতে হয়েছিল বলে জানান রীতা।
