এবার ফের শিল্পীর গান নিয়ে উঠল আপত্তি। অভিযোগ, সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘টাটিরি’ গানের দৃশ্যায়নে নারীদের আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আপত্তি উঠেছে গানের কথা নিয়েও। যার জেরে বাদশাহকে তলব করেছে হরিয়ানা নারী কমিশন। ব়্যাপারের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। যার শুনানি আগামী ১৬ মার্চ।
স্কুলের পোশাকে শিক্ষার্থীদের এমন নাচ ও অঙ্গভঙ্গি দেখলে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা যাবে। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ব়্যাপার বাদশাহর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে হরিয়ানায়। চলতি বিতর্কের আবহে ইউটিউব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘টাটিরি’ গানটি।
নারী কমিশনের সভাপতি রেনু ভাটিয়ার মন্তব্য, এ ধরনের গান জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে ‘টাটিরি’ গানটির জন্য বাদশাহর দুর্ভোগ অবশ্য এখানেই থামেনি! ১ মার্চ ‘টাটিরি’ গানটি নিজের সামাজিক মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রিলিজ করেন বাদশাহ। যদিও প্রথমটায় এই হরিয়ানভি গান শুনে অনুরাগীরা উল্লাস প্রকাশ করেছিলেন, তবে দিন দুয়েক কাটতে না কাটতেই নিন্দার ঝড় নেটদুনিয়ায়।
কারণ গানের কথা ও দৃশ্যে নারীদের ‘ভোগ্যপণ্য’ হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ তুলে রে-রে করে উঠেছে শ্রোতামহল। ওই মিউজিক ভিডিওর গোড়াতেই দেখা যায়, কাঁধের ব্যাগ নামিয়ে স্কুলছাত্রীরা নাচতে শুরু করেছে। তার সঙ্গে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি এবং নেপথ্যে গানের চটুল কথা। আর এহেন যৌন ইঙ্গিতমূলক গানে আপত্তি তুলে হরিয়ানা নারী কমিশন বাদশাহর বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে। গায়কের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ।
জানা গেছে, হরিয়ানার পঞ্চকুলার সেক্টর ২০-এর সাইবার ক্রাইম শাখায় বাদশাহর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন অভয় চৌধুরী নামে জনৈক ব্যক্তি। তার দাবি, এ গানটিতে নারীদের অশ্লীল এবং অসম্মানজনকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। স্কুলের পোশাকে পড়ুয়াদের এমন নাচ ও অঙ্গভঙ্গি দেখলে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা যাবে।