বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া কিংবা সিনেমা দেখা, কৈশোরের এমন সাধারণ আনন্দগুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হয়েছিল ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়রকে। ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে ছোটবেলা থেকেই কঠোর পরিশ্রম আর ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে তাকে।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নেইমার জানান, ১৩-১৪ বছর বয়সেই তিনি অনেক সাধারণ অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হন। বন্ধুরা যখন স্কুল ভ্রমণ বা সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত থাকত, তখন তিনি সময় দিতেন অনুশীলনে।
তিনি বলেন, ‘আমি স্কুলের কোনো ভ্রমণে যাইনি, বন্ধুদের সঙ্গে সিনেমা দেখতেও যাইনি। কারণ পরদিন সকালে আমার অনুশীলন থাকত।’ মাঝে মাঝে খারাপ লাগলেও নিজের লক্ষ্য ও স্বপ্ন তাকে এগিয়ে যেতে প্রেরণা জুগিয়েছে।
১৭ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলে যাত্রা শুরু করে সান্তোস থেকে ইউরোপে পাড়ি জমান তিনি। পরে বার্সেলোনায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বিশ্বসেরা তারকাদের কাতারে জায়গা করে নেন। এরপর পিএসজিতে যোগ দিয়ে জিতেছেন বহু শিরোপা।
তবে সাফল্যের আড়ালে রয়েছে ব্যক্তিগত সংগ্রামের গল্পও। নেইমার জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই চাপের জীবন সহজ নয়, বিশেষ করে নিজের দেশে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হওয়া আরও কঠিন।
সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক চোটে মাঠের বাইরে থাকতে হলেও আশা ছাড়েননি এই তারকা। তিনি বলেন, ‘আমিও কষ্ট পাই, মন খারাপ হয়, আবার খুশিও হই—এটাই স্বাভাবিক। আমি একজন মানুষ।’
