বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে শরীর কিছু প্রাকৃতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, যা স্বাস্থ্যকর ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে সহজ করে। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক কারণে শীতকালে ওজন নিয়ন্ত্রণে সুবিধা পাওয়া যায়।
১. হজম শক্তিশালী হয়
শীতকালে মানুষের হজম ব্যবস্থার কার্যকারিতা বেড়ে যায়। এটি খাবারকে আরও ভালোভাবে ভাঙতে সাহায্য করে এবং পুষ্টি উপাদানগুলো সঠিকভাবে শোষিত হয়।
২. পুষ্টি শোষণ উন্নত হয়
ভালো হজমের ফলে খাবারের পুষ্টি সঠিকভাবে গ্রহণ হয়, যা অতিরিক্ত চর্বি জমতে বাধা দেয়। এভাবে শরীর অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট জমাতে পারে না।
৩. ক্যালরি বার্ন বেড়ে যায়
শীতল তাপমাত্রা থার্মোজেনেসিস নামের একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া চালু করে। এর মাধ্যমে শরীর তাপ উৎপাদনের জন্য বেশি ক্যালরি পোড়ায় এবং অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বজায় রাখে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, শীতে ওজন কমানো সবচেয়ে কার্যকর হয় যদি এটি সুষম ডায়েটের সঙ্গে মিলিয়ে করা হয়। তারা পরামর্শ দেন, মৌসুমি ফল, পুষ্টিকর সবজি এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত, যা হজম ও মেটাবলিজমকে আরও সক্রিয় রাখে।
যদিও শীতকাল স্বাভাবিকভাবে ওজন কমাতে সহায়ক, বিশেষজ্ঞরা বলছেন ধৈর্য এবং সুষম খাবারের নিয়মিত অভ্যাস বজায় রাখা জরুরি। শরীরের মৌসুমি পরিবর্তন বোঝার মাধ্যমে বছরের বিভিন্ন সময় স্বাস্থ্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।