সঠিক খাদ্যাভ্যাস
৪০-এর পরে বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, ফলে হার্ট অস্বাস্থ্যকর চর্বি, অতিরিক্ত চিনি ও নুনের প্রতি আরো সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তাই স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমিয়ে দিন, লবণ ও চিনি নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে খান, কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও শরীরে প্রদাহের সমস্যা অবহেলা করবেন না।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
হার্ট ভালো রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ব্যায়াম। প্রতিদিন অন্তত ২০ মিনিট ব্যায়াম করুন।
সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝারি বা তীব্র অ্যারোবিক এক্সারসাইজ অথবা স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করলে উপকার বেশি। এতে হার্ট শক্তিশালী হয় ও সার্বিক ফিটনেস বাড়ে।
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
দীর্ঘদিন মানসিক চাপ থাকলে কর্টিসল বেড়ে যায়, যা হার্টের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মন ভালো রাখা হার্ট ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
শরীরে সমস্যা না থাকলেও রুটিন চেকআপ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নীরবে বাড়ে, তাই প্রতি ৪-৬ মাসে লিপিড প্রোফাইল, প্রতি ১-২ মাসে রক্তচাপ পরীক্ষা, ধূমপান, ডায়াবেটিস বা স্থূলতা থাকলে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
