English

35 C
Dhaka
বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০২৪
- Advertisement -

আফগানিস্তানে নারীদের ওপর কঠোর হচ্ছে নীতি পুলিশ: জাতিসংঘ

- Advertisements -
Advertisements

আফগানিস্তানে তালেবান নীতি পুলিশ নারীদের ওপর অত্য়াচার চালাচ্ছে। সম্প্রতি জাতিসংঘ একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার  জাতিসংঘ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

Advertisements

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যত দিন যাচ্ছে আফগানিস্তানে নারীদের ওপর অত্যাচারের পরিমাণ বাড়ছে।

তালেবান প্রশাসন নীতি পুলিশের সংখ্যা বাড়িয়েছে। যাদের কাজ নারীদের ওপর নজর রাখা। নীতি এবং আদর্শ বিষয়ক আলাদা মন্ত্রণালয় তৈরি করেছে তালেবান। নীতি পুলিশ তারই অংশ।
আফগানিস্তানে মেয়েদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পশ্চিমা কায়দায় চুল কাটা বা গান শুনতে দেওয়া হচ্ছে না নারীদের। পুরুষ সঙ্গী ছাড়া নারীদের ঘরের বাইরেও চলাফেরা করতে পারবেন না তারা। যে কারণে ভিটেছাড়া হচ্ছে পাকিস্তান-আফগান সীমান্তের মানুষ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে ক্রমশ নারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিমাণ বেড়েছে। যদিও ক্ষমতায় এসে তালেবান জানিয়েছিল, তারা এবার অনেক বেশি আধুনিক শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা মানা হয়নি। নীতি পুলিশদের হাতে প্রচুর ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়েছে। ইসলাম-বিরোধী কাজের অভিযোগে অনেক নারীদের গ্রেপ্তার করছে তারা, এমনকি মারধর ও শাস্তি পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে তালেবান দাবি করে বলেছে, সমাজ সংস্কারের লক্ষ্য়েই এমন কাজ করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, সার্বিকভাবে দেশটিতে একটি আতঙ্কের সৃষ্টি করা হয়েছে। মেয়েরা কোনো পুরুষ সঙ্গী ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হতে পারছেন না। বাড়ির বাইরে বের হলেও নির্দিষ্ট পোশাক পরতে হবে। এ ছাড়া তারা কোনো পার্কে গিয়েও সময় কাটাতে পারবেন না। কারণ, নীতি পুলিশ মনে করে, এটা ইসলাম-বিরোধী কাজ।

মেয়েদের কাজের পরিসর অনেক আগেই খর্ব করা হয়েছিল। তালেবানের বক্তব্য়, পুরুষ সঙ্গী নারীকে সুরক্ষা দিতে পারে, সে কারণেই এই নিয়ম তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, নাপিতদের চুল কাটার নির্দিষ্ট নিয়ম বলে দেওয়া হয়েছে। শুধু নারী নয়, পুরুষেরাও যাতে পশ্চিমা কায়দায় চুল না কাটে, সে দিকে লক্ষ্য় রাখতে বলা হয়েছে। পশ্চিমা কায়দায় চুল কাটলে শাস্তি দেওয়া হবে। তালেবানের দাবি, জাতিসংঘ যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা একেবারেই পশ্চিমা ভাবাদর্শ থেকে তৈরি। এই প্রতিবেদন ইসলামিক সংস্কৃতির পরিপন্থি।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন