সংযুক্ত আরব আমিরাত ওপেক এবং ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সিদ্ধান্তটি তেল রপ্তানিকারক জোটগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তেল রপ্তানিকারক জোটগুলোর অনানুষ্ঠানিক নেতা সৌদি আরবের জন্য। কারণ এমন সময়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো, যখন ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ঐতিহাসিক অস্থিরতা তৈরি করেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি চাপে রয়েছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে ওপেক সদস্য দেশগুলো ইতিমধ্যে তেল রপ্তানিতে বাধার মুখে পড়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে—যেখানে স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ইরানের হুমকি ও জাহাজে হামলার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ঝুঁকি বেড়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে আরেকটি কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে—ইউএইর অসন্তোষ। দেশটি বলছে, ইরানের একাধিক হামলার মুখে পড়লেও অন্য আরব দেশগুলো তাদের সুরক্ষায় যথেষ্ট সহায়তা করেনি। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবেও ইউএই পরিচিত।
১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বৈশ্বিক তেল সরবরাহে অন্যতম প্রভাবশালী শক্তি, যা বিশ্বব্যাপী মোট তেল উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করে।
