English

22 C
Dhaka
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
- Advertisement -

চীনকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ‘ড্রোন’ কৌশল

- Advertisements -

গ্যাব্রিয়েল হনরাডার একটি বিশেষ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তিকে টেক্কা দিতে যুক্তরাষ্ট্র এখন ‘কন্টেইনারাইজড ড্রোন সোয়াম’ (কন্টেইনারে বন্দি ড্রোনের ঝাঁক) মোতায়েনের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।

তবে সমরবিদদের মধ্যে এই প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে, এটি কি যুদ্ধের ময়দানে কোনো সত্যিকারের বিপ্লব আনবে নাকি মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাঠামোগত দুর্বলতা ঢাকার একটি সাময়িক প্রচেষ্টা মাত্র।

চলতি মাসে মার্কিন প্রতিরক্ষা উদ্ভাবন ইউনিট (ডিআইইউ) ইন্ডাস্ট্রিগুলোর কাছ থেকে এমন একটি সিস্টেমের প্রস্তাব চেয়েছে যা ভূমি এবং সমুদ্র; উভয় স্থান থেকেই বিপুল সংখ্যক ড্রোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে উৎক্ষেপণ, পরিচালনা এবং পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘কন্টেইনারাইজড অটোনোমাস ড্রোন ডেলিভারি সিস্টেম’ (ক্যাডস)।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো জনবল কমিয়ে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ানো। প্রথাগত ড্রোন অপারেশনে অনেক মানুষের প্রয়োজন হলেও এই নতুন সিস্টেমে মাত্র দুইজনের ক্রু দিয়ে বিশাল ড্রোনের বহর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। সাধারণ বাণিজ্যিক যানেও এই কন্টেইনারগুলো পরিবহন করা যাবে বলে এগুলো সহজে লুকিয়ে রাখা সম্ভব। এর ফলে শত্রুপক্ষের জন্য লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করা কঠিন করে তুলবে।

২০২৫ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন গবেষণা পত্রে দেখা গেছে, মোবাইল এবং গোপন ঘাঁটি থেকে ড্রোন উৎক্ষেপণ যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে তাইওয়ান প্রণালীতে চীনের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যুহ ভেদ করতে এই ধরনের নিখুঁত গণ-আক্রমণ মার্কিন বাহিনীর জন্য একটি কার্যকর কৌশল হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

তবে এই প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা নিয়ে সতর্ক করেছেন বেশ কিছু বিশ্লেষক। হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ড্রোন কখনোই প্রচলিত যুদ্ধজাহাজ বা ক্ষেপণাস্ত্রের বিকল্প হতে পারবে না। সমুদ্রের বিশাল দূরত্ব পাড়ি দেওয়া বা বড় জাহাজ ধ্বংস করার মতো সক্ষমতা এখনো ড্রোনের আয়ত্তে আসেনি।

এছাড়া সম্প্রতি ‘ওয়ার অন দ্য রক্স’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, ড্রোনের এই অতি-নির্ভরতা আসলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তুলছে। তাদের মতে, ড্রোন মূলত স্থবির এবং ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে বেশি কার্যকর। এতে বোঝা যাচ্ছে সামরিক বাহিনী হয়তো তাদের প্রথাগত ও কৌশলগত সক্ষমতা হারাচ্ছে।

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/4one
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন