English

26 C
Dhaka
মঙ্গলবার, মার্চ ৫, ২০২৪
- Advertisement -

জনসমক্ষে ২৭ আফগানকে বেত্রাঘাত করেছে তালেবান

- Advertisements -

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের একটি প্রদেশে বৃহস্পতিবার ব্যভিচার, চুরি, মাদক এবং অন্যান্য অপরাধের শাস্তি হিসেবে ২৭ জন পুরুষ ও নারীকে জনসমক্ষে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। তালেবানশাসিত আফগানিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

আদালতের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পারওয়ান প্রদেশে বেত্রাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ১৮ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

Advertisements

প্রাদেশিক কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের সময় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কর্মকর্তারা সমাজে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলেছেন।

আব্দুর রহিম রশিদ নামে আদালতের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, প্রতিটি মামলায় তিনটি আদালতে পুরুষ ও নারীদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং প্রত্যেককে ২৫ থেকে ৩৯ বার বেত্রাঘাত করা হয়েছে। প্রাদেশিক রাজধানী চরকারে অনির্দিষ্ট সংখ্যক শাস্তিপ্রাপ্তকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রশিদ বলেছেন, ‘নানা ধরনের শাস্তিসহ বিভিন্ন মামলা ছিল, যার সবগুলোই আদালতে অনুমোদিত হয়েছে এবং স্থানীয় লোকজন ও কর্মকর্তাদের জনসমাবেশে তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ‘

তালেবান কর্তৃপক্ষ এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন আফগানকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এক দিন পরই বেত্রাঘাতের এ ঘটনা ঘটল। গত বছর তালেবানরা আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর প্রথম প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড সেটি।

Advertisements

তালেবান সরকারের শীর্ষ মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, নিহতের বাবার রাইফেল দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। দেশটির পশ্চিমে ফারাহ প্রদেশে শত শত দর্শক এবং শীর্ষ তালেবান কর্মকর্তাদের সামনে মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর হয়েছে। রাজধানী কাবুল থেকেও কয়েকজন কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন।

এদিকে একটি পৃথক আদালতের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সপ্তাহের শুরুতে দেশটির পূর্বে পাকতিকা প্রদেশে চুরির দায়ে দোষী সাব্যস্ত তিন ব্যক্তিকে জনসমক্ষে বেত্রাঘাত করা হয়েছে।

নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের সময় দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড, বেত্রাঘাত এবং পাথর ছুড়ে মারা হতো। ২০২১ সালে ২০ বছরের যুদ্ধ শেষে বিদেশি সৈন্য প্রত্যাহার করার পর তালেবান প্রাথমিকভাবে নারী এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু পরে তারা ষষ্ঠ শ্রেণির বাইরে মেয়েদের শিক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ অধিকার ও স্বাধীনতা সীমিত করেছে।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন