ইরানবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বিশেষ দূত রব ম্যালিও সেই বিষয়টি টেনে ট্রাম্প তথা যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যালি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি ভুলভাবে উপস্থাপন হচ্ছে।
ম্যালি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধের সাফল্য ভুলভাবে মূল্যায়ন করছেন এবং এতে তিনি ‘ভিয়েতনাম ফাঁদে’ পড়ে যেতে পারেন।
তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কতজন ইরানি নেতাকে হত্যা করেছে কিংবা কতটি ইরানি নৌযান বা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে—এসব দিয়ে যুদ্ধের সাফল্য মাপা হচ্ছে ‘ভুল সূচক’। এই যুদ্ধ দীর্ঘ যুদ্ধে রূপ নিয়েছে, তা শুধুই মার্কিন ভুল পরিকল্পনায়।
ম্যালি বলেছেন, কেবল সামরিক সাফল্য দেখিয়ে এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব নয়। বরং যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার একমাত্র পথ হলো এমন একটি সমঝোতা, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মূল স্বার্থের পাশাপাশি ইরানের স্বার্থও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
সাবেক এই মার্কিন দূতের মতে, সম্ভাব্য কোনো শান্তি চুক্তি আদৌ হবে কি না, তা বিশ্লেষণে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের চেয়ে মনোবিজ্ঞানীরা হয়তো বেশি কার্যকর হতে পারেন। কারণ পুরো বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত মানসিকতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক ও কূটনৈতিক কৌশল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও নতুন বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে পেন্টাগন দাবি করছে, কয়েক সপ্তাহ বোমাবর্ষণের পর আরও বেশি শক্তিশালী হয়েছে ইরান।