সোমবার (২৬ জানুয়ারি) নিহত ওই উপস্থাপকের নাম আলি নূর আল-দীন। তিনি হিজবুল্লাহ–সম্পৃক্ত আল-মানার টিভিতে কাজ করতেন।
হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে জানায়, এই হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে যে লেবাননে ইসরাইলের চলমান হামলা এখন গণমাধ্যমকর্মীদের দিকেও বিস্তৃত হচ্ছে।
আল-মানার টিভি নিশ্চিত করেছে, টাইরে চালানো ওই হামলায় আলি নূর আল-দীন নিহত হন। তারা জানায়, তিনি আগে আল-মানার চ্যানেলে ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন।
হিজবুল্লাহ আরও জানিয়েছে, আলি নূর আল-দীন টাইরের উপশহর আল-হাওশ এলাকার প্রধান ধর্মীয় বক্তা (খতিব) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। গোষ্ঠীটি তার হত্যাকে ‘বিশ্বাসঘাতক হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছে।
লেবাননের তথ্যমন্ত্রী পল মরকোস ইসরাইলের এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এসব হামলায় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদেরও রেহাই দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সংবাদকর্মীদের পরিবারের প্রতি সংহতি ও সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—তারা যেন তাদের দায়িত্ব পালন করে, এসব লঙ্ঘন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নেয় এবং লেবাননের গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।’
আলি নূর আল-দীনের মৃত্যুর আগে ২০২৩ সাল থেকে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ছয়জন লেবাননি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। তবে অন্য কিছু সংস্থার হিসাবে নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা ১০ জন।
এর আগে সোমবার, লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, টাইরে ইসরাইলি বিমান হামলায় একজন নিহত হয়েছেন, তবে তখন নিহতের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, নাবাতিয়েহ শহরের কাছে কফর রুম্মান এলাকায় পৃথক আরেকটি হামলায় আরও দু’জন নিহত হয়েছেন।