English

26 C
Dhaka
সোমবার, মার্চ ৯, ২০২৬
- Advertisement -

ইরান যুদ্ধের ফলে ২০০৮ সালের মতো বৈশ্বিক মন্দার শঙ্কা কম: ফিলিপ আগিয়ঁ

- Advertisements -

ইরান ঘিরে চলমান যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে, তবে ২০০৮ সালের মতো বৈশ্বিক মন্দা বা বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস নামার সম্ভাবনা খুব কম বলে মন্তব্য করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ফিলিপ আগিয়ঁ।

সৃজনশীল ধ্বংসের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কাজের জন্য ফিলিপ আগিয়ঁ ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।

আরটিএল রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যদি এই যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলে, যদি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারেরও বেশি হয়ে যায় এবং মুদ্রাস্ফীতি অনেক বেড়ে যায়, তাহলে আমরা ১৯৭৩ সালের মতো পরিস্থিতি দেখতে পারি।

১৯৭৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলকে সমর্থনকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ওপেক জোটের আরব সদস্যরা তেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পায় ও অর্থনৈতিক স্থবিরতা তৈরি হয়।

আগিয়ঁ বলেন, এমন ধরনের ধাক্কা মোকাবিলায় ইউরোপের দেশগুলো, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর সমন্বিত নীতিগত পদক্ষেপ প্রয়োজন হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী ও বিস্তৃত সংঘাত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দেবে। আমি একটি সম্ভাব্য মন্দার ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু ধস দেখছি না। উদাহরণ হিসেবে ২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের মতো কোনো পরিস্থিতি আমি দেখছি না।

এদিকে, এই যুদ্ধের কারণে সামনে বড় ধরনের মুদ্রাস্ফীতির ঢেউ আসতে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সকালে বাজার খোলার পর সেই বাস্তবতার প্রতিফলনও দেখা গেছে। যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০ সূচক প্রায় ২০০ পয়েন্ট বা প্রায় ২ শতাংশ কমে গেছে।

জার্মানিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ ছিল। দেশটির ডিএএক্স সূচক ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমে গেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা এখন মুদ্রাস্ফীতির কারণে সুদের হার বাড়তে পারে বলে ধরে নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ বা মাসের মধ্যে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুদের হার বাড়লে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ঋণ নেওয়া আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে, একই সঙ্গে বাড়ির মালিকদের জন্যও ঋণ নেওয়ার খরচ বাড়বে। এছাড়া সরকারগুলোর জন্যও ঋণ নেওয়া আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে।

ইরান সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাজ্য সরকারের বন্ডের সুদের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। ফলে সরকারের দৈনন্দিন আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/xhza
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন