মধ্যপ্রাচ্যে চাপা উত্তেজনার মুখে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সমালোচনা করেছে ইরান। সোমবার (৪ মে) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, সদস্যদের প্রতি নেতিবাচক বা প্রতিশোধমূলক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই গঠনমূলক নয়।
বাঘাই আরও বলেন, ইরান ওপেকের প্রতি তার অঙ্গীকার বজায় রাখবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করার জন্য ‘অনুপযুক্ত আচরণ’ প্রদর্শনের জন্য অভিযুক্ত করেন।
আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতান আল-জাবের এর আগে বলেছিলেন, ওপেক এবং ওপেক+ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত কারও বিরুদ্ধে নয়। এটি জাতীয় স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
ইউএই বেরিয়ে যাওয়ায় জোটের দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও ঐক্য প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এমন সিদ্ধান্ত অন্য দেশগুলোকেও একই পথে হাঁটতে উৎসাহিত করতে পারে। এতে সৌদি আরবের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। বিশেষজ্ঞদেন মতে, যুক্তরাষ্ট্র যে এই পদক্ষেপ স্বাগত জানিয়েছে তার কারণ হলো, এই ঘটনায় তেল উৎপাদনকারী জোটের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা কিছুটা হলেও কমতে পারে। তাতে লাভবান হবে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর আ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির অ্যাডজাংক্ট সিনিয়র ফেলো র্যাচেল জিয়েম্বা লিখেছেন, সময়ের দিক থেকে এই সিদ্ধান্ত কিছুটা বিস্ময়কর হলেও, এই প্রেক্ষাপট অনেক দিন ধরেই তৈরি হচ্ছিল।’
