ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি অভিজাত এলাকায় মঙ্গলবার সকালে ছুরিকাঘাতে চারজন নিহত হয়েছেন। ‘নো-কন্ট্যাক্ট অর্ডার’ লঙ্ঘনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
‘নো-কন্ট্যাক্ট অর্ডার’ -এর অর্থ, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে কল, টেক্সট, ইমেইল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা পাঠাতে পারবেন না। এ ছাড়া ভুক্তভোগীর বাড়ি, কর্মক্ষেত্র বা স্কুল থেকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হয়।এটি সাধারণত ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম বা জামিনের মেয়াদে কার্যকর থাকে। এই আদেশ অমান্য করলে গ্রেপ্তার, জরিমানা বা জেল হতে পারে।
পিয়ার্স কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, সিয়াটল থেকে প্রায় ৪৫ মাইল দূরে অবস্থিত পর্যটনকেন্দ্র গিগ হারবারের একটি কুল-ডি-স্যাক এলাকায় সকাল প্রায় ৮টা ৪০ মিনিটে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।গুরুতর আহত অবস্থায় আরেকজনকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে তিনিও মারা যান।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ৩২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন হামলাকারী পরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ঘটনাস্থলটি অভিজাত আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। টাকোমা পুলিশ কর্মকর্তা শেলবি বয়েড জানান, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে হামলাকারীর সম্পর্ক এখনও স্পষ্ট নয়।প্রাথমিকভাবে পুলিশ ‘নো-কন্ট্যাক্ট অর্ডার’ লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যায়। তবে পৌঁছানোর আগেই তারা জানতে পারে, আদেশটি কার্যকর ছিল না। কারণ সেটি এখনও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
বয়েড বলেন, কোনো আদেশ লঙ্ঘনের অভিযোগ বৈধ হতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানাতে হয়, যাতে তিনি বিচারকের নির্দেশ এবং আরোপিত শর্তাবলি সম্পর্কে অবগত থাকেন। ঘটনার বিষয়ে প্রথমে কে ফোন করেছিলেন, তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।তবে ধারণা করা হচ্ছে, যে ফোন দিয়েছেন, তিনি এমন কেউ ছিলেন যিনি ‘নো-কন্ট্যাক্ট অর্ডার’-এর বিষয়ে অবগত ছিলেন। ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
