রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর কিয়েভে কেন্দ্রীয় তাপ সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন চলতে পারে।
এ অবস্থায় গতকাল শুক্রবার মেয়র ভিটালি ক্লিচকো বাসিন্দাদের স্বল্প সময়ের জন্য শহর ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি ‘খুবই কঠিন’ উল্লেখ করে ভিটালি ক্লিচকো বলেন, রাশিয়ার হামলার ফলে রাজধানীর প্রায় ছয় হাজার ভবনে তাপ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। আবার, শনিবার তাপমাত্রা মাইনাস ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। বিপর্যয় রোধে বিকল্প বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহযুক্ত স্থানে বাসিন্দাদের সরে যাওয়া উচিত।
গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রুশ হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু অ্যাপার্টমেন্টও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মস্কো পশ্চিম ইউক্রেনে হামলায় শক্তিশালী নতুন ‘ওরেশনিক’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে।
ইউক্রেনের পুনর্গঠনমন্ত্রী ওলেক্সি কুলেবা জানান, কর্মকর্তারা আশা করছেন, শনিবারের আগেই কিছু ভবনে তাপ সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা যেতে পারে। কিন্তু বেশ কিছু এলাকায় তাপ সরবরাহ ফের চালু করতে বেশি সময় প্রয়োজন।
এদিকে, ইউক্রেনীয় ন্যাশনাল নিউজ জানিয়েছে, পোডিলস্কি, ওবোলোনস্কি ও ডারনিটস্কি জেলার ১০৮৩টি আবাসিক ভবনের বাসিন্দাদের জন্য তাপ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
কিয়েভ ও তার পশ্চিমা মিত্ররা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন। তারা শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা জানিয়েছিল। কিন্তু মস্কো তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ প্রক্রিয়ার মধ্যেই দুই পক্ষ পালটা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ শনিবার ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ভোলগোগ্রাদের একটি তেল ডিপোতে আগুন ধরে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
