পাবলিক স্পিকার, মানবাধিকারকর্মী ও জাতিসংঘ নারী সংস্থার জাতীয় শুভেচ্ছাদূত মুনিবা মাজারিকে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)–এর নতুন অ্যাডভোকেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার এক ঘোষণায় ইউএন উইমেন জানায়, পাকিস্তানসহ বৈশ্বিক পরিসরে অন্তর্ভুক্তি, লিঙ্গ সমতা ও সামাজিক ন্যায়ের পক্ষে মুনিবা মাজারির নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ পদে থেকে তিনি বার্বাডোজের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলি ও বেলজিয়ামের রানী ম্যাথিল্ডের মতো বিশ্বনেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে কাজ করবেন। তাদের যৌথ লক্ষ্য হলো ২০৩০ এজেন্ডার পক্ষে সচেতনতা সৃষ্টি, অনুপ্রেরণা যোগানো এবং সমর্থন জোগাড় করা।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এক চিঠিতে মুনিবা মাজারির প্রশংসা করে লিখেছেন, তিনি অনেকের অনুপ্রেরণা এবং অন্তর্ভুক্তি ও লিঙ্গ সমতার বিষয়ে এক সুদৃঢ় কণ্ঠস্বর। তার অসংখ্য অর্জন ও সমতার প্রতি অটল প্রতিশ্রুতির জন্য আমি তাকে সাধুবাদ জানাই। আমি আশা করি তিনি তার প্রতিভা, প্রভাব ও প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে বৈশ্বিক অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনার কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন।
নিজের নিয়োগ প্রসঙ্গে মুনিবা মাজারি বলেন, এসডিজি অ্যাডভোকেট হিসেবে নিয়োগ পাওয়া শুধু একটি সম্মান নয়, এটি বিশাল দায়িত্বও। এই দায়িত্ব হলো যাদের কণ্ঠ শোনা যায় না তাদের হয়ে কথা বলা এবং একটি সুস্থ, ন্যায়ভিত্তিক ও সহানুভূতিশীল পৃথিবীর জন্য সম্মিলিত পদক্ষেপে সবাইকে অনুপ্রাণিত করা। একসঙ্গে আমরা মানুষ ও পৃথিবীর জন্য অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে পারব।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে মুনিবা মাজারি পাকিস্তানের প্রথম নারী হিসেবে জাতিসংঘ নারী সংস্থার শুভেচ্ছাদূত নিযুক্ত হন।