25 C
Dhaka
বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৩
- Advertisement -

মারাত্মক ক্ষতি করছে এই খাবারগুলো: নতুন গবেষণা

- Advertisements -
Advertisements
Advertisements

অতিমাত্রায় প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনি শরীরের বারোটা বাজিয়ে দেয়। মুদি দোকান বা সুপারশপগুলোতে চকচকে প্যাকেটজাত খাবারগুলো খুব মুখরোচক এবং দেখতে সুন্দর। কিন্তু এই আকর্ষণীয় দেখতে খাবারগুলো অনেক অচেনা উপাদান ও শর্করায় পূর্ণ থাকে। চিনিও রয়েছে বিভিন্ন নামে, আপনি হয়তো বুঝতেই পারছেন না।

অতি- প্রক্রিয়াজাত খাবার কিভাবে আমাদের শরীরের ক্ষতি করছে?

২০২২ সালের নভেম্বরে দ্য আমেরিকান জার্নাল অফ প্রিভেন্টিভ মেডিসিন-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা থেকে জানা যায়, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার ৫৭,০০০ অকাল মৃত্যুর সাথে যুক্ত ছিল। যা ৩০ থেকে ৬৫ এই বয়স সীমার মধ্যে এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সমস্ত অকাল মৃত্যুর প্রায় ১০.৫শতাংশ। গবেষণাটি করা হয় ৫,৪১,০০০ ব্রাজিলিয়ান প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে। যাদের অতি-প্রক্রিয়াজাত খাদ্য গ্রহণের মাত্রা ছিল ১৩ থেকে ২১শতাংশ পর্যন্ত।

উচ্চ প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া আপনার সোডিয়াম, শর্করা বা স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বাড়ায়। অত্যধিক সোডিয়াম, শর্করা বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া আপনার দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

এটিই প্রথম গবেষণা নয়, যেখানে দেখা গেছে অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই খাবারগুলো স্থূলতা এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের সঙ্গে সংযুক্ত। অনেকর ক্ষেত্রে আল্ট্রা-প্রসেসড খাবার শরীরে প্রদাহ বাড়িয়ে দিতে পারে। অন্যান্য গবেষণায় কোলোরেক্টাল ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য ঝুঁকির সঙ্গে সংযোগ পাওয়া গেছে।

নিম্নমানের খাবার বা আল্ট্রা-প্রসেসড খাবারগুলো অকাল মৃত্যুর এবং হার্টের কার্ডিওভাসকুলার রোগের সঙ্গে যুক্ত। মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। সর্বশেষ করা এই গবেষণার গবেষকরা একটি উপসংহারে এসছেন, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ ১০ শতাংশ থেকে থেকে ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনলে ৫,৯০০ থেকে ২৯,৩০০০ মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব। অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের অংশের পরিমাণও বড়।

অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার কি?

অতি- প্রক্রিয়াজাত খাবার হলো প্রক্রিয়াজাত বা প্রস্তুত খাবার এবং পানীয় যেসব খাবারে অতিরিক্ত সোডিয়াম, শর্করা বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট যোগ করা থাকে।

উচ্চ বা অতি প্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন:

**চিনিযুক্ত পানীয়
**সিরাপ এবং জ্যাম
**চকোলেট এবং ক্যান্ডি
**আলুর চিপস
** সস, সালাদ ড্রেসিং
** আইসক্রিম এবং হিমায়িত ডেজার্ট
**মাফিন এবং কেক মতো বেকারি পণ্য
** ফাস্ট ফুড যেমন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং বার্গার
** হিমায়িত রান্না করা খাবার
** প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন সসেজ

কিন্তু সব প্রক্রিয়াজাত খাবারকে অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় না। দোকানে প্রচুর প্রক্রিয়াজাত খাবার রয়েছে যা এখনও ভালো খাবার হিসাবে বিবেচিত করা যেতে পারে, যেমন টিনজাত টুনা, শাকসবজি, ফল, মুরগির মাংস, আলু,পাস্তা ইত্যাদি।

মূল পার্থক্য হলো, যদি খাবারটি খুব বেশি চিনি যোগ করা না থাকে বা সম্পূর্ণ উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয় তবে এটি অতি-প্রক্রিয়াজাত হিসাবে বিবেচিত হয় না। যদি  প্যাকেটজাত খাবারে অচেনা উপাদান থাকে এবং প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং চিনি যোগ থাকে তবে সাবধান হওয়া উচিত। এখানে বেশি পুষ্টি থাকে না এবং এগুলোকেই তখন অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার হিসেবে বিবেচিত হবে। এগুলো পরিমিতভাবে খাওয়া উচিত।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ

কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন