শিশুরা না ঘুমালে বাবা মায়েরা অস্থির হয়ে যান। আর পর্যাপ্ত ঘুমালে অনেকটা শান্তিতে থাকেন। ভালো থাকে শিশুর শরীরও। সদ্যোজাত শিশু দিনে ১৭-১৮ ঘণ্টা ঘুমায়। বয়স যত বাড়ে, ঘুমের সময় কমতে থাকে। ৪ থেকে ১১ মাসের শিশুর ঘুমের আদর্শ সময় ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা। তবে ওই বয়সের শিশু অনেক সময় আরো কম ঘুমায়। বাবা-মাকে খেয়াল রাখতে হবে, শিশু যেন ১০ ঘণ্টার কম না ঘুমায়। এক বছর বয়সের পর থেকে শিশু যেন ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা ঘুমায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
২ থেকে ৩ বছর পর্যন্ত সন্তান ১১ ঘণ্টা বা তার বেশি ঘুমালে চিন্তার কিছু নেই। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরের পর থেকে প্রায় ৫ বছর অবধি দিনে ১০-১৩ ঘণ্টা ঘুমই আদর্শ। ৬ থেকে ১৩ বছর অবধি দিনে অন্তত ৯ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। এর কম নয়।
শিশুর ঘুমের সমস্যা হলে কী করবেন?
এখনকার শিশুরা বড়দের মতো মোবাইল, ট্যাব নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এ কারণে ঘুমাতে দেরি হয়। এদিকে বাবা মাকে অনেক সচেতন হতে হবে। শিশুর ঘুমের রুটিন তৈরি করতে হবে। প্রতিদিন একই সময়ে শিশু যেন ঘুমাতে যায়, সকালে একই সময়ে উঠে সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
ছোটদের শোয়ার ঘরটি আরামদায়ক রাখতে হবে। বিছানায় চাদর, বালিশের কভার নিয়মিত বদলে দেওয়া জরুরি।
ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে টিভি, মোবাইল বা ট্যাব দেখা বন্ধ করতে হবে। নীল আলো ঘুমের হরমোন ‘মেলাটোনিন’ নিঃসরণে বাধা দেয়।
দিনে শিশুকে খেলতে দিন বা শরীরচর্চা করতে উৎসাহিত করুন। এতে রাতে গভীর ঘুম হবে।
রাতে ঘুমোনোর আগে ভারী খাবার, মশলা দেওয়া খাবার বা চিনি দেওয়া পানীয় দেবেন না। এতে ঘুমের সমস্যা বাড়বে।
