তবে, চিন্তার কিছু নেই! চালের গুঁড়া ছাড়াও ময়দা-সুজি দিয়ে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলা যাবে মোলায়েম পাটিসাপটা। এই পিঠা ঠাণ্ডা হওয়ার পরও থাকবে নরম। চলুন, তাহলে জেনে নেওয়া যাক পাটিসাপটা তৈরির সহজ পদ্ধতি।
যা যা লাগবে
- ময়দা- ২ কাপ
- সুজি- ১ কাপ (মিহি দানা হলে ভালো হয়)
- চিনি বা গুড়- স্বাদমতো (ব্যাটারের জন্য)
- দুধ- পরিমাণমতো (ব্যাটার তৈরির জন্য)
- লবণ- এক চিমটি
- পুর তৈরির জন্য- ক্ষীর, সন্দেশ অথবা নারকেল কোরা ও গুড়ের পুর।
পিঠা তৈরির পদ্ধতি
ব্যাটার তৈরি : প্রথমে একটি বড় পাত্রে ময়দা, সুজি ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিন। এবার তাতে অল্প অল্প করে হালকা গরম দুধ দিয়ে একটি মসৃণ ব্যাটার বা গোলা তৈরি করুন। খেয়াল রাখবেন যাতে কোনো দলা পাকিয়ে না থাকে।
মিষ্টির জন্য এতে সামান্য চিনির গুঁড়া বা নলেন গুড় মিশিয়ে নিতে পারেন।
চালের গুঁড়া নেই বলে এই ধাপে সুজিকে ভিজিয়ে রাখা জরুরি। ব্যাটারটি ঢাকা দিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিন। এতে সুজি ভিজে ফুলে উঠবে এবং পিঠে অনেক বেশি নরম হবে।
পুর তৈরি : ব্যাটার তৈরির পর কিছু সময় অপেক্ষার মাঝে ক্ষীর বা নারকেলের পুর তৈরি করে নিন।
যদি হাতে সময় কম থাকে, তবে দোকান থেকে আনা নরম পাকের সন্দেশও পুর হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
পিঠে ভাজা : একটি নন-স্টিক প্যানে সামান্য ঘি বা তেল ব্রাশ করে নিন। প্যান গরম হলে এক হাতা গোলা দিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে দিন। ওপরের অংশ শুকিয়ে এলে একপাশে পুর রেখে সাবধানে মুড়িয়ে নিন বা রোল করুন।
কেন এই পাটিসাপটা সেরা?
বিশেষজ্ঞদের মতে, চালের গুঁড়ার পাটিসাপটা অনেক সময় ঠাণ্ডা হলে শক্ত হয়ে যায়। কিন্তু ময়দা ও সুজির মিশ্রণে তৈরি এই পিঠে দীর্ঘক্ষণ নরম থাকে এবং ভাজার সময় প্যানে আটকে যাওয়ার ভয় থাকে না।
ব্যাটার যদি খুব ঘন হয়ে যায়, তবে ভাজার আগে সামান্য দুধ মিশিয়ে পাতলা করে নিন। আর পিঠে ভাজার সময় আঁচ সব সময় মাঝারি বা লো-তে রাখবেন।
