আসন্ন ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। নাড়ির টানে হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন গ্রামের পথে। চলমান রমজান মাসে অনেকেরই যাত্রাপথেই করতে হচ্ছে সাহরি। তাই পথে সাহরি করার সময় কী খাবেন এবং কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন—সেই বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
জটিল শর্করা
যদি সাহরি খেয়েই যাত্রা শুরু করতে চান, তাহলে লাল চালের ভাত, ওটস, আটার রুটি বা খিচুড়ি খেতে পারেন। এসব খাবার ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় শরীরে শক্তি জোগায়। ফলে দ্রুত ক্ষুধা লাগার সম্ভাবনাও কম থাকে।
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার
যাত্রাপথে সাহরিতে ডিম, মাছ, মুরগির মাংস, ডাল বা দই খাওয়া ভালো। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার শরীরে দীর্ঘ সময় শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ক্লান্তি কমায়।
পানি ও পানিযুক্ত খাবার
সাহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি শসা, তরমুজের মতো পানিযুক্ত ফল খেলে শরীর হাইড্রেট থাকে এবং দীর্ঘ সময় পানিশূন্যতা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।
ফল ও ফাইবার
যদি ভাত বা রুটি খেতে না চান, তাহলে কলা, আপেল বা খেজুর খেতে পারেন। এসব ফলে ফাইবার থাকে, যা শরীরে শক্তি জোগায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
- অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার: বেশি তেলযুক্ত বা ভাজা খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিক ও অস্বস্তি বাড়তে পারে।
- অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার: বেশি লবণ খেলে তৃষ্ণা বাড়ে, যা দীর্ঘ যাত্রায় সমস্যা তৈরি করতে পারে।
- ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়: অতিরিক্ত চা বা কফি পান করলে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে যেতে পারে।
ভ্রমণের সময় বাড়তি সতর্কতা
- ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
- খুব বেশি ভারী খাবার না খেয়ে সুষম খাবার খান।
- দীর্ঘ ভ্রমণে সুযোগ পেলে মাঝে মাঝে শরীর একটু নড়াচড়া করুন।
- এতে যাত্রাপথেও সুস্থ থাকা সহজ হবে এবং রোজা পালনে ক্লান্তি কম অনুভূত হবে।
