সালাম মাহমুদ : আমরা হয়তো অনেক কিছু নিয়েই অভিযোগ করি, কিন্তু কারও কারও জীবনে বিলাসিতা তো দূরের কথা—বেঁচে থাকাটাই প্রতিদিনের যুদ্ধ। এমনই এক অসহায় তিন শিশুর পরিবারের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে দৃষ্টিগোচর হয় হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ-এর সিনিয়র পরিচালক (উন্নয়ন, পরিকল্পনা এবং বিক্রয় ও বিপণন) অধ্যাপক কামরুন নাহার পলিনের।
পোস্টে পরিবারটির করুণ অবস্থার কথা উল্লেখ থাকলেও সেখানে সঠিক ঠিকানা ছিল না। কমেন্টের মাধ্যমে ঠিকানা জানতে চেয়েও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি তাঁর নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী টিমকে বিষয়টি অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে টিমের মাধ্যমে জানা যায়, পরিবারটির ঠিকানা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের সিন্দুরনা নদী পাড়া গ্রাম।
ঠিকানা পাওয়ার পর অধ্যাপক কামরুন নাহার পলিন সরেজমিনে লোক পাঠিয়ে পরিবারের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। সবকিছু যাচাই শেষে এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিবারটির জন্য একটি নতুন ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি দুধ দেওয়া গরু এবং এক মাসের বাজার সামগ্রী উপহার দেওয়া হয়।
এর আগেও অধ্যাপক কামরুন নাহার পলিন মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে বহু অসহায় পরিবারকে ঘর উপহার দিয়েছেন। মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাঁর নিজস্ব একটি স্বেচ্ছাসেবী টিম রয়েছে, যারা নিয়মিতভাবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
মানুষের দুঃখ-কষ্ট তাঁর দৃষ্টিতে এলেই পাশে দাঁড়ানোই যেন তাঁর নীরব অঙ্গীকার—যেখানে মানবিকতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় পরিচয়।
