English

21 C
Dhaka
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ৮, ২০২৬
- Advertisement -

সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্তি জরুরি

- Advertisements -

মিরাজুল মইন জয়: ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর আমার মা জাহানারা কাঞ্চন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। আমার বাবা ইলিয়াস কাঞ্চন মা হারানোর যে যন্ত্রণা আমাদের মাঝে দেখেছেন, সেখান থেকে দেশে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন গড়ে তোলেন, যেন আর কোনো পরিবারকে বিপর্যস্ত হতে না হয়, আর কোনো সন্তানকে পিতৃ-মাতৃহারা হতে না হয়। তাই দেখানো পথে দেশের মানুষ এখন মর্মে মর্মে অনুধাবন করেছেন সড়কে নিরাপত্তা কতটা জরুরি। আমার বাবা অসুস্থ হয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন। এই সংকটকালীন সময়ে বাবার প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। শৈশব থেকেই বাবার সংগ্রামের সাথে আমার বেড়ে ওঠা। নিসচার সাথে পথ চলছি, পথে-ঘাটে ঘুরে বেড়িয়েছি। সড়কে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামে আছি এবং থাকবো। তবে এতটুকু সময়ে অনুধাবন করেছি শুধু রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টায় সড়কে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা দুরুহ। এর জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ।

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এগিয়ে চলেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির কারণে দেশটি এখন আন্তর্জাতিক পরিম-লে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। তবে উন্নয়নের এই যাত্রায় একটি বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে সড়ক দুর্ঘটনা ও সড়ক নিরাপত্তার সংকট। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে, পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে এবং পরিবারগুলো আর্থসামাজিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি শুধু একটি পরিবহন সমস্যা নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানবিক অধিকারের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে স¤পর্কিত। এমন বাস্তবতায় প্রতি বছর ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এ দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা কোনো একক দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি জাতীয় অঙ্গীকার। দিবসটি একইসাথে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর এবং নীতি-নির্ধারকদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার একটি মঞ্চ। শুধু দিবস পালনেই সড়কের নিরাপত্তা আসবে না। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ, সুদূরপ্রসারী নীতি বাস্তবায়ন এবং সবচেয়ে বড় বিষয় হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা। বিভিন্ন গবেষণা ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর কয়েক হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। সড়ক দুর্ঘটনা এখন দেশের চতুর্থ বড় মৃত্যুর কারণ হিসেবে পরিগণিত। শুধু মৃত্যুই নয়, আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করা মানুষের সংখ্যা তারও বহুগুণ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কর্মক্ষম মানুষ হারানোর কারণে জিডিপির একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনা যেন এক নীরব মহামারীতে রূপ নিয়েছে।

অনেক সময় প্রশ্ন ওঠে, কেন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? আইন আছে, নীতিমালা আছে, এমনকি জনসচেতনতা গড়ার জন্য আন্দোলনও হয়েছে। তবুও কেন পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে না? এর মূল কারণ হচ্ছে, নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ফারাক। বাংলাদেশে পরিবহন খাত একটি শক্তিশালী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে, যারা প্রায়ই রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আইনের ঊর্ধ্বে চলে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও রাজনৈতিক চাপের কারণে কঠোর হতে পারে না। ফলে সড়ক নিরাপত্তা শুধু একটি প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং এটি রাজনৈতিক সদিচ্ছার পরীক্ষা। যদি সরকার এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব সড়ক নিরাপত্তাকে একটি অগ্রাধিকার ইস্যু হিসেবে গ্রহণ করে, তবে আইন প্রয়োগ কঠোর হবে, সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আসবে, জনগণও সচেতন হয়ে উঠবে। এই লেখার উদ্দেশ্য হলো সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণ করা এবং প্রমাণ করা যে রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া সড়ক নিরাপত্তা সম্ভব নয়। বলা যায়, জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আমাদের শুধু শোক বা প্রতিবাদ জানানোর দিন নয়; এটি একটি অঙ্গীকারের দিন। এই অঙ্গীকারের মূল চালিকাশক্তি হতে হবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা। কারণ, আইন প্রয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি-সবকিছুর কার্যকারিতা নির্ভর করছে রাজনৈতিক নেতৃত্বের আন্তরিকতার ওপর।

নির্বাচনের মাধ্যমে যারা সরকার গঠন করেন তাদের নানা প্রতিশ্রুতি থাকে এবং সেগুলো বাস্তবায়নে অনেক সীমাবদ্ধতা দেখা দেয়। সীমাবদ্ধতা দেখা দেয় রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত ও পদ্ধতিগত কারণে। তখনই দেখা দেয় নানা সমস্যা। কখনও কখনও দৃষ্টান্তকে তুলে আনতে হয় বৃহৎ কোনো সমস্যার সমাধানকল্পে। যেমন যখন কোনো বিষয় দুর্যোগ আকারে দেখা দেয়, তখন সরকার তা সম্মিলিত প্রয়াসে নিরসন করে থাকে। উদাহরণ হিসেবে খুব বেশি দূর যাওয়ার দরকার নেই। করোনা মহামারির কথা বলতে পারি। করোনা সরকার নিয়ন্ত্রণ করেছে, কিন্তু সহযোগিতা করেছে কারা? জনগণ। আর জনগণকে সরকার যেমন বোঝাতে সক্ষম হয়েছিল এবং রাজনৈতিক দল, রাজনীতিবিদসহ সকল মহল তাদের অবস্থান থেকে কাজ করেছে বলে করোনার মতো মহামারী আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। অর্থনীতির উপর দিয়ে বড় ঝড় বয়ে গেলেও মৃত্যুর হার অন্যান্য দেশের মতো হয়নি। সে বিপর্যয় দেশের মানুষ কাটিয়ে উঠেছে, আবার কর্মে ফিরে গেছে। তবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো পরিবারের উপর আঘাত হানছে। যন্ত্রণায় মানুষ কাতরাচ্ছে, অথচ এর কোনো প্রতিকার দেখি না। কেন এই যন্ত্রণার প্রতিকার করা যাচ্ছে না? যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেন, রাষ্ট্রের ক্ষমতা নিয়ে যাওয়ার জন্য যারা ভাবেন বা দেশে মানুষের কল্যাণ করেন, তাদেরকে কেন ¯পর্শ করে না- এ প্রশ্নটা আমরা গত ৩২ বছর ধরে রাজপথে থেকে খোঁজার চেষ্টা করেছি, কোনো উত্তর খুঁজে পাইনি। পাইনি বলেই দেশে এখনো সড়কে পৃষ্ট হচ্ছে জীবন, ক্ষতি হচ্ছে স¤পদের। অথচ দেশে উন্নয়ন হচ্ছে, নতুন নতুন রাস্তা তৈরি হচ্ছে, কিন্তু মানুষ তার সুফল পাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, এর অন্যতম কারণ সম্মিলিত পরিকল্পনা ও সদিচ্ছার অভাব। ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় যে ক্ষোভ দানা বেঁধেছিল শিক্ষার্থীদের মনে, এতে সরকার তাৎক্ষণিক কিছু সিদ্ধান্ত নিলেও কার্যত কোনো ফলপ্রসূ রেজাল্ট দেশের মানুষ পায়নি। এই বিষয়গুলো থেকে বেরিয়ে আসার জন্য গত কয়েক বছর নানাভাবে নানা জনের সাথে কথা বলে এবং পরিবহন সেক্টরের সাথে মিশে আমরা যেটা অনুধাবন করেছি, আমাদের দেশে পরিবহন সেক্টর অসম্ভব শক্তিশালী। এখানে অনেক কাঁচা টাকার ঝনঝনানি। চাঁদার নামে, বিভিন্ন উৎসের নামে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়। এই লেনদেনের সাথে যারা যুক্ত, তারা এই খাতটিকে কখনোই সুস্থ ধারায় আনতে দিচ্ছে না। বরং সরকার যদি কোনো ভালো কাজ করতে যায়, তারা সেখানে নানা রকম জুজুর ভয় দেখিয়ে, হুমকি-ধমকি দিয়ে থাকে। তাদের এই ধমকিতে প্রশাসনও অসহায় হয়ে পড়ে। কারণ তারা রাজনৈতিক মদদপুষ্ট। তারাই পরিবহন সেক্টরের একচ্ছত্র অধিপতি। রাষ্ট্র ক্ষমতার বদল হলেও, পরিবহন সেক্টরের নেতৃত্বের চরিত্র বদল হয় না। আমরা চাইবো, পরিবহন সেক্টরে আর যেন নতুন করে কোনো কালো হাতের থাবা না পড়ে। আমি বলবো না যে, পরিবহন সেক্টরের সবাই একই ধরনের মানসিকতা সম্পন্ন। এখনো পরিবহন সেক্টরে ভালো নেতৃত্ব আছে। ভালো মানুষগুলো আছে। কিন্তু তারা উঠে আসতে পারছে না।

২০১৮ সালে যে সড়ক পরিবহন আইন প্রণীত হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত পুরোপুরি কার্যকর করা যায়নি এই পরিবহন সেক্টরের রক্ত চক্ষুর কারণে। তারা হুমকি দেয়, তারা জিম্মি করে, তারা নানাভাবে সরকারের পদক্ষেপ বাঁধাগ্রস্ত করছে। ফলশ্রুতিতে এই আইনের বা বিধিমালার সঠিক প্রয়োগ করা যাচ্ছে না। এই জায়গাটাতে অসাধুরা শ্রমিক জনগোষ্ঠীকে নানা রকম ভুল তথ্য দিয়ে খেপিয়ে তোলে। কারণ তাদের স্বার্থ হাসিলে এই শ্রমিক জনগোষ্ঠী ব্যবহৃত হয়। বিষয়টি নিসচা’র চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন অনুধাবন করেছেন। তিনি এই পরিবহন সেক্টরকে শৃঙ্খলায় আনার জন্য, এর সাথে জড়িত মানুষগুলোকে প্রশিক্ষিত করার জন্য, শ্রমিকদের পরিবারকে সচ্ছল করার জন্য, তাদের সন্তানকে শিক্ষিত করার জন্য তিনি নানা রকম দাবি তোলেন, নানারকম উদ্যোগ নেন। কিন্তু তার এই প্রয়াস, তার এই দাবি কোনোভাবেই তাদের কাছে ভালো কিছু বার্তা বহন করে না। বরং তারা এটাকে উল্টো দিকে নেন। তাদের মনে একটা শঙ্কা যদি পরিবহন সেক্টরে যে শ্রমিক রয়েছে, তারা যদি সচ্ছলতার জায়গায় যায়, তাদের যদি অধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে যায়, তাঁদের সন্তানরা যদি শিক্ষিত হয়ে যায়- তাহলে তাদেরকে কোনোভাবে জুজুর ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। আর নিয়ন্ত্রণ যদি না করা যায়, তাহলে যে চাঁদার কথা হচ্ছে, যে অবৈধ অর্থের কথা হচ্ছে, সে জায়গাটা বন্ধ হয়ে যাবে, তাদের লুটপাট বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে তারা বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করে যাচ্ছে।

আমরা অনেক ভেবেচিন্তে সুধীজনদের সাথে কথা বলে, অনেক সভা সেমিনারে অংশ নিয়ে যে বিষয়টা প্রতীয়মান হয়েছে, এখানে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছ। রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করে। তাদের লোকগুলো বিভিন্ন জায়গায় বসে। তারা যদি নির্বাচনের ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে, তাহলে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, বাকি দলগুলো বাইরে থেকে সরকারকে তার ইশতেহার বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগ করতে পারবে, সরকারকে সহযোগিতাও করতে পারবে। এই একটি জায়গায় যদি সকল রাজনৈতিক দল একত্রিত হতে পারে, আমরা মনে করি, সড়কে যে অপমৃত্যুর মিছিল বা সড়কে বিশৃঙ্খলা চলছে এবং সড়ক যে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে, তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সড়কে অনিয়ম বন্ধ হবে, পাশাপাশি সড়ক নিয়ে যারা দুর্নীতির নানা ফাঁকফোকর খুঁজে বেড়ায় এবং দুর্নীতি করে করে বেড়ায়, সেটিও বন্ধ হয়ে যাবে। এতে দেশের উন্নয়ন অনেক অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আমরা দেশের সকল রাজনীতিবিদদের কাছে বিনয়ের সাথে আহ্বান করি, সড়কে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে, সড়কে শৃঙ্খলা আনার ক্ষেত্রে, পরিবহন সেক্টরকে সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সকলে ঐক্যবদ্ধ হোন। এতে দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে। পরিবহন সেক্টরে অরাজকতা বন্ধ হয়ে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

সড়কের নিরাপত্তা ও এই শৃঙ্খলা সাধারণ জনগোষ্ঠী আনতে পারবে না, কারণ প্রত্যেকটা জনগোষ্ঠীর কেউ না কেউ কোনো না কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী। সেই মতাদর্শ যদি একটা জায়গায় ঐক্যবদ্ধ হয় এবং একটি ইস্যুতে অনড় থাকে, তাহলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস থাকবে। এতে সড়ক নিরাপত্তা বাস্তবায়ন হবে, ডিকেড বাস্তবায়ন হবে, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। জনগণ কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে। আমরা বলতে চাই, ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’ যে দাবি তুলেছে, এটা শুধু তার দাবি না। সংগঠনটি জনগণের প্রতিনিধি হয়ে দাবি তুলেছে। আমরা মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে, বিভিন্ন সভা, সেমিনার, সুশীল সমাজ, মিডিয়াসহ সব জায়গা বিশ্লেষণ করে এই বিষয়টি উপলব্ধি করেছি, সড়কে শৃঙ্খলা আনয়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছার বিকল্প নেই।

লেখক: ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, নিরাপদ সড়ক চাই।

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/sgzy
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন