পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে আশুলিয়ার বিভিন্ন সড়ক ও বাসস্ট্যান্ড। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের আশায় ইতোমধ্যেই গ্রামের বাড়ির পথে ছুটতে শুরু করেছেন পোশাক শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে বাড়তি যানবাহনের চাপ, এলোমেলোভাবে যাত্রী ওঠানামার কারণে ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কাও বাড়ছে।
সোমবার বিকাল থেকে নবীনগর, বাইপাইল ও বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়তে দেখা গেছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে এ চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে মাঠে কাজ করছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আশুলিয়া থানা শাখার স্বেচ্ছাসেবকরা। সংগঠনটির সভাপতি জিএম মিন্টু জানান, যানজট নিরসন ও যাত্রীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রায় ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক দিনব্যাপী মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন।
মহাসড়ক ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলায় বাইপাইলের কিছু অংশের সড়কে খানাখন্দ রয়েছে, ফলে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।
কুড়িগ্রাম-রংপুর রুটের একটি বাসের চালক বলেন, এখনো বড় ধরনের যানজট না থাকলেও ঈদের আগ মুহূর্তে চাপ বাড়লে পরিস্থিতি কঠিন হতে পারে। তিনি মনে করেন, সড়কে ট্রাফিক পুলিশের কঠোর নজরদারি থাকলে ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ঢাকা জেলা পুলিশ ও সাভার-আশুলিয়া ট্রাফিক বিভাগও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি মহাসড়কে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।
