জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, আপনাদের সরস্বতীর বাহনকে আমি খুব মায়া করি। ছোটবেলা থেকে আমি আমার বাড়িতে রাজহাঁস পালি। আমার ২০টি হাঁস ছিল। এর মধ্যে আটটি হাঁস চুরি করে নিয়ে গেছে। আমি মামলা করে চোরকে ধরে জেলে দিয়েছিলাম। কিন্তু এইবার যেন আর আমার হাঁস চুরি না হয়, সেটার জন্য আপনাদের কাছে আমার হাত জোড় অনুরোধ আমার হাঁসটা আপনারা দেখিয়েন।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের জগৎপুর হিন্দু ধর্মলম্বীদের আয়োজিত ধর্মীয় মহোৎসবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ (সরাইল আশুগঞ্জ) নির্বাচনীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এই সব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, বিজয়নগর উপজেলার দুই ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ নির্বাচনীয় আসনে যুক্ত হওয়ায় কারো কারো মনে হয়তো কষ্ট আছে। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসনে আপনাদের ভালোবেসে নিয়েছি। আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে কষ্ট পেলে বকা দিয়েন। কিন্তু ঘরের বাহির করে দিয়ে না বলে তিনি আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, একাত্তরে আমরা জাত দেখে লড়াই করিনি। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। সবার রক্ত এই মাটিতে মিশে আছে। তাই আমি সব সময় বলি এই মাটিতে সবার সমান অধিকার রয়েছে। সুতরাং সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু আমি বিশ্বাস করি না।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, চান্দুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বাবুল মিয়া, রেনু মিয়া, নিরঞ্জন দাস, অমৃত দাস, নিরন্দ্র পাল, শান্ত পাল, যতিনী পাল, মুক্তার মেম্বার, আল আমিন, রনি, আকবর হোসেন, আবুল কাশেম, বাবলু মিয়া, আল আমিন, রাখাল ঋষি, মনির চৌধুরী, ইন্দ্র দাস প্রমুখ।
