পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো যারা বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিংয়ে ভূমিকা রাখতে পারেন তারা হলেন বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশের ইয়ুথ। আমাদের অনেক গল্প আছে কিন্তু আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের গল্পগুলো আমরা ভালোমতো বলতে পারি না। ১৯৭১ আমাদের ব্র্যান্ড। ইয়ুথ আমাদের ব্র্যান্ড। ভাষার আন্দোলন আমাদের ব্র্যান্ড। জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের ব্র্যান্ড। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান আমাদের ব্র্যান্ড।
তিনি বলেন, প্রাইভেট সেক্টর আমাদের ব্র্যান্ড। ব্যাংকিং সেক্টর আমাদের ব্র্যান্ড। এই ব্র্যান্ডগুলোকে আমরা সঠিকভাবে ইন্টারন্যাশনাল ফোরামে, প্ল্যাটফর্মে, গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে সবসময় তুলে ধরতে পারি না। সেখানেই আমাদের কাজ করতে হবে।
রবিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁও-এ ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ, বিয়ন্ড বর্ডারস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের হাতে ‘রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা একটা যুদ্ধ অবস্থায় আছি। এই যুদ্ধে গালফ কান্ট্রিগুলোতে আমাদের প্রচুর বাংলাদেশি ভাইয়েরা, রেমিট্যান্স যোদ্ধা ভাই বোনরা কিন্তু কাজ করছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৌদি আরবে প্রথম লোক পাঠিয়ে এই ম্যানপাওয়ার শুরু করেছিলেন। এই প্রবাসীরা যাতে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন সেই প্রক্রিয়া উনি শুরু করেছিলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের বিএনপির যে ফরেন পলিসি সেটা বাংলাদেশ ফাস্ট শুধু আমরা মুখে মুখে বলি না। সবার আগে বাংলাদেশ আমরা মিন করি এবং সেই নীতির কারণে এই যুদ্ধের অবস্থায় বাংলাদেশকে তারা (গালফ কান্ট্রিগুলো) একটি বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করছে এবং আমাদের যে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা যারা বিদেশে আছেন তারা যেন সুরক্ষিত থাকতে পারেন তারা যেন নিরাপদে থাকতে পারেন সেটা কিন্তু ওই দেশগুলো দেখছে।
শামা ওবায়েদ আরও বলেন, ইতিমধ্যে আমরা আটজন বাংলাদেশিকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে হারিয়েছি এই যুদ্ধে। এবং এই আটজনকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে এবং যারা ওখানে আছে তারা যেন ওখানে সুরক্ষিত থাকতে পারেন সেজন্য কিন্তু আমাদের মিশনগুলো টোয়েন্টিফোর সেভেন কাজ করে যাচ্ছে।’
১৩টি ব্যাংক, একটি প্রতিষ্ঠান ও একজম ব্যক্তিকে এই ‘রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নূরও উপস্থিত ছিলেন।
