চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী উপজেলা) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে গিয়ে আপিলেও মনোনয়ন ফিরে পাননি জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের অমিল থাকায় তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। এর ফলে চট্টগ্রাম-৫ আসনে তার প্রার্থিতা চূড়ান্তভাবে বাতিল হলো।
এর আগে গত শনিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন। যাচাই-বাছাইয়ে দলীয় মনোনয়নপত্রে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের অমিল ধরা পড়ে বলে জানানো হয়।
মনোনয়ন বাতিলের ঘটনায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাচনী পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি অভিযোগ করেন, মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় চট্টগ্রামে তার প্রস্তাবক ও সমর্থককে অপহরণ করা হয়েছিল।’
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। আপিলেও প্রার্থিতা ফিরে না পাওয়ায় এই আসনে তার নির্বাচনী প্রতিযোগিতার পথ বন্ধ হয়ে গেল।
