স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহারের আগে সরকারকে মাঠের বাস্তবতা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী। তিনি বলেছেন, সরকার মোটামুটি একমত যে লটারিটা প্রত্যাহার করবেন, তবে এটি করার আগে গ্রাউন্ড লেভেল রিয়ালিটি দেখা জরুরি।
রাশেদা প্রশ্ন তুলেছেন, লটারি কোথায় আছে? নামি-দামী স্কুলগুলোর জন্য লটারি আছে, গ্রামে তো লটারি নেই। তাহলে কেন নামি-দামী স্কুলের জন্য লটারি করা হয়েছিল?
সোমবার (১৫ মার্চ) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংলাপে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী এই পরামর্শ দেন।
কিন্তু বিকালেই স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি এই উন্নয়ন সংস্থা গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘আমার রিকশাওয়ালার সন্তান তো ভিকারুননিসা স্কুলে ভর্তি হতে পারে না লটারি ছাড়া।’
‘সেই জায়গায় বরং লটারিটাকে ভালো করে, গভর্নেন্সটা ভালো করে, সেখানে যেন ম্যানেজমেন্ট স্ট্রাকচার ভালো হয়। ঘুষ-দুর্নীতি যেন না হয়, এটা একটা দেখার প্রয়োজন আছে।’
বর্তমান লটারি পদ্ধতির বিকল্প তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আরেকটা বিকল্প আছে যেটা আমি বলতে চাই, সেটা হল-ক্যাচমেন্ট এরিয়া। গেন্ডারিয়ার শিক্ষার্থী কেন আসবে মোহাম্মদপুরে পড়তে? ক্যাচমেন্ট এরিয়ার এটা এখন ৪০ শতাংশ আছে। এটাকে বাড়ানোর ব্যবস্থা করা যায় কিনা।’
তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, শিক্ষার খাতকে একেবারে বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে চলবে না।
