সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আসিফ নজরুল ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার অর্জনের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।
তিনি মনে করেন, বড় কোনো টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার চেয়ে দেশের সম্মান রক্ষা করা বেশি জরুরি ছিল।
বিশ্বকাপে না গেলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপূরণীয় ক্ষতি হবে বলে যে আশঙ্কা করা হয়েছিল, তাকেও নাকচ করে দিয়েছেন আসিফ নজরুল। পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘বলা হয়েছিল বিশ্বকাপে না গেলে অনেক ক্ষতির মুখে পড়বে।
ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটি ‘রাজনৈতিক’ ছিল, এমন অভিযোগও অস্বীকার করেছেন আসিফ নজরুল। তার মতে, পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার পরও ভারতের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, “এত ঘটনার পরও ভারত আমাদের সঙ্গে একবারও যোগাযোগ করেনি। তারা বলেনি ‘ঠিক আছে ভাই, আপনারা আসেন। আমরা নিরাপত্তার বিষয়টা দেখছি।” ভারতের এই উদাসীনতাকেও সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বড় কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।
জাতীয় দলের সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের কিছু অভিযোগের বিষয়েও কথা বলেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা। তিনি জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে খেলোয়াড় ও বিসিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল। সেখানে তিনি সবাইকে নির্ভয়ে মত প্রকাশের সুযোগ দিয়েছিলেন।
আসিফ নজরুলের ভাষ্যমতে, ‘খেলোয়াড়রা বলেছিল তারা খেলতে চায়, তবে বোর্ড ও সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, তারা তা মেনে নেবে।’
