সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ জন কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআরের চৌকস ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হত্যা করা হয়। এই দিনটি আমাদের জাতির জন্যে অত্যন্ত লজ্জার ও কলঙ্কজনক একটি অধ্যায় বলে আমরা মনে করি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেঙে দেওয়ার গভীর চক্রান্ত করা হয়েছিল এই দিনে। একই সঙ্গে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য ঘুরে দাঁড়িয়েছেন দেশের জনগণ।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল অতীতের মত একইভাবে তার যে মূল লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করা এবং একই সঙ্গে স্বাধীন সমতাকে পুরোপুরিভাবে সংগত করা এবং এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের একটা নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের এবং শক্তিদেরকে আপনার আইনের আওতায় নিয়ে আসা তাদের শান্তিকে নিশ্চিত করা। আমরা পিলখানা হত্যাকান্ডের সেই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং তাদের পরিবার পরিজনদের প্রতি আমাদের সমবেদনা জানাচ্ছি এবং এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের আমরা তদন্ত তদন্ত দাবি করছি।’
এ সময় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বকে সুসংহত ও গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার বড় সুযোগ পেয়েছে বলে জানান এলজিআরডি মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘অতীতের মতো দেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য বলে বিশ্বাস করি। একই সঙ্গে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করাও দায়িত্ব।’
সবশেষে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি সমবেদনা জানান বিএনপি মহাসচিব।
