তিনি বলেছেন, এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে জনগণ এই যুগপৎ জোটকে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা বদল, রাষ্ট্র সংস্কার, রাষ্ট্রের পুনর্গঠন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা আশা করি, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও কার্যকর করার মধ্য দিয়ে আগামী সংসদ এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পথে অগ্রসর হবে।
শুক্রবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, আমরা একটি দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই, যুগপৎ আন্দোলন ও একটি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের পথরেখা সফল করার আন্দোলনের ধারবাহিকতাতেই এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। এই নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত এক নির্বাচনে। নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে শৃঙ্খলার সঙ্গে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন সারা দেশের ভোটাররা। সেইসঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল দৃঢ়তার সঙ্গে নির্বাচন সফল করায় ভূমিকা রেখেছেন।
কিছুটা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করেছেন। নির্বাচন কমিশনও তাদের ভূমিকা পালন করেছে যথাযথভাবে। আমরা দেশবাসী, সকল রাজনৈতিক দল, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমাদের অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
ভোটারদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, এই নির্বাচনে আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলার সব নেতাকর্মী অত্যন্ত আন্তরিক পরিশ্রম করেছেন। একইসঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ও উপজেলার নেতাকর্মীরা এখানে আন্তরিকভাবে শ্রম দিয়েছেন। আমরা সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
আমরা আশা করি, জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবে আমাদের রাজনৈতিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সকল রাজনৈতিক দল আগামীতেও দেশের স্বার্থের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকবে এবং গণতান্ত্রিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।