চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনি মহাসমাবেশ শুরু হয়েছে। রবিবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বেলা ১২টা ১৪ মিনিটে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। সে সময় মুহুমুর্হু করতালিতে পুরো সমাবেশস্থল মুখরিত হয়ে উঠে।
হাস্যজ্জ্বল বিএনপি চেয়ারম্যানও হাত নেড়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। এটি তারেকের নির্বাচনি প্রচার দ্বিতীয় পর্ব; গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
২০০৫ সালের ৬ মে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে সর্বশেষ জনসভা করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। এবার দলের চেয়ারম্যান হিসেবে চট্টগ্রাম সফরে এসেছেন তিনি।
তবে পলোগ্রাউন্ড মাঠে তারেক রহমানের এটি প্রথম সমাবেশ। এর আগে ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর সবচেয়ে বড় এ মাঠে তার মা বেগম খালেদা জিয়ার জনসভা হয়েছিল।
জনসভা ঘিরে ভোর থেকে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলা, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা থেকে ব্যানার ফেস্টুন, রঙ বেরঙের পোশাক পরে মিছিল নিয়ে লোকজন আসতে শুরু করে সমাবেশস্থলে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পলোগ্রাউন্ড মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়।
এ সমাবেশে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থীরা উপস্থিত রয়েছেন।
পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশে যোগ দেয়ার আগে নগরীর র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শিরোনমারে আয়োজনে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তারেক। চট্টগ্রাম ও আশেপাশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন এই ইয়ুথ পলিসি টকে। সেখানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তারেক রহমান।
যুক্তরাজ্যে দেড় দশকের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। সেদিন দেশের মাটিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান।’
চট্টগ্রামের বিএনপি নেতারা আশা করছেন, তাদের দলীয় প্রধান চট্টগ্রামবাসীকে তার সেই ‘প্ল্যান’ শোনাবেন।
চট্টগ্রামের সমাবেশ শেষে তারেক রহমান বিকাল ৪টায় ফেনী পাইলট স্কুল মাঠে, সাড়ে ৫টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাই স্কুল মাঠে, সন্ধ্যা ৭টায় সোয়াগাজী ডিগবাজির মাঠে, সাড়ে ৭টায় দাউদকান্দি ঈদগাঁ মাঠে এবং রাত সাড়ে ১১টায় কাঁচপুর বালুরমাঠে নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান।
