এ ছাড়া তীব্র শীতে জেলাজুড়ে বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। মোগলবাসা এলাকার রিকশাচালক মজিবর রহমান বলেন, সকালে রিকশা নিয়ে বের হলে যাত্রী পাওয়া যায় না।
আজ শনিবার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ।
শীতের জন্য অপেক্ষা করলে দিনের অর্ধেক চলে যায়। ফলে আয় রোজগার হয় না। তাই যাত্রী না পাওয়া গেলেও শীত উপেক্ষা করে বাধ্য হয়ে রিকশা নিয়ে বের হই।
হাতিয়া ভবেশের কৃষক বাদশা মিয়া বলেন, টানা শীতের কারণে ধান বীজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেও কাজ হয় না।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। জানুয়ারি মাসজুড়েই শীতের দাপট থাকবে। তবে এ সময় তাপমাত্রা ওঠানামা করবে।
The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/q7d3
