দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীত জেঁকে বসেছে। গত এক সপ্তাহধরে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
এর আগে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস এই তাপমাত্রা রেকর্ড করে। বাতাসে আদ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। ঘন্টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।
এ জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শীতে কাবু হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের মানুষ। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলো বেশি দুর্ভোগে পড়েছে। প্রচন্ড ঠান্ডায় কাজে যেতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছে তারা। প্রচন্ড শীতে পথ-ঘাট ও হাট বাজারে জনসমাগম কমে গেছে। শীত বস্ত্রের অভাবে গরীব, দুস্থ ও অসহায় শীতার্ত মানুষগুলো গ্রামীণ জনপদের অনেকে খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।
এদিকে সরকারিভাবে কিছু শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। হাসপাতালগুলো শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলো সাবধানে চলাচল করছে। তীব্র এই শীতে গবাদি পশুগুলোর অবস্থাও জবুথবু অবস্থা।
পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় জানান, শনিবার এখানে তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দিন দিন তাপমাত্রা কমছে। কুয়াশা পড়া অব্যাহত রয়েছে। রাতে বৃষ্টির মত কুয়াশা ঝরছে। তাপমাত্রা আরো কমতে পারে। এ অঞ্চল মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে।
