ঈদযাত্রায় ১০ দিন বন্ধ থাকবে বালুবাহী বাল্কহেড

- Advertisements -
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। ঈদের আগে-পরে ১০ দিন বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখার পাশাপাশি রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।

ঈদযাত্রার প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণে প্রতিমন্ত্রী ফেরিঘাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যানবাহন পারাপার কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। 

সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফেরিঘাটের পন্টুনে নিরাপত্তা বেষ্টনী উঁচু ও মজবুত করা হয়েছে।

পাশাপাশি স্টপ গেট নির্মাণ এবং যাত্রী ওঠানামার জন্য পৃথক সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ফেরি পারাপারের সময় বাস থেকে নেমে ফেরিতে ওঠার আহ্বান জানান তিনি।
একই সঙ্গে নৌকা বা ট্রলার থেকে লঞ্চে ওঠানামা না করারও অনুরোধ করেন। 

প্রতিমন্ত্রী জানান, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিটি লঞ্চে দৃশ্যমান স্থানে ডিজিটাল ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

Advertisements

তিনি বলেন, ঈদুল আজহার আগে পাঁচ দিন ও পরে পাঁচ দিন অর্থাৎ ২৩ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত দিন-রাত সার্বক্ষণিক বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচলও বন্ধ রাখা হবে।

সদরঘাটে যাত্রীচাপ কমাতে ঢাকার বসিলা ঘাট ও পূর্বাচলের কাঞ্চন ব্রিজসংলগ্ন শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে শিমুলিয়া ঘাট পর্যন্ত বিআরটিসির শাটল বাস সার্ভিস চালুর কথাও বলেন তিনি।

ঈদের আগে তিন দিন ও পরে তিন দিন, ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। তবে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপারের সুযোগ পাবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, পশুবাহী নৌযান ঘাটে ভেড়ার ক্ষেত্রে কোনো ঘাট ইজারাদার বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির টানাটানি বরদাস্ত করা হবে না। কোন ঘাটে পশু আনলোড করা হবে, তা সংশ্লিষ্ট নৌযানে দৃশ্যমান ব্যানারে উল্লেখ রাখতে হবে।

Advertisements

নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের জরুরি প্রয়োজনে বিআইডব্লিউটিএ’র হটলাইন ১৬১১৩, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, সরকারি তথ্য ও সেবা ৩৩৩, ফায়ার সার্ভিস ১০২, কোস্ট গার্ড ১৬১১১, নৌপুলিশ ০১৭৬৯-৭০২২১৫ এবং অপারেশন জিরো মিসিং ০১৩২০০০২১৭ নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়।

পরিদর্শনকালে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, নৌপরিবহণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/a0uy
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন