যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় আবাসন, পানি, বিদ্যুৎ ও খাদ্যসংকট নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মাঝেই নতুন জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফিফা।
শুক্রবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর উদ্বোধনী বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি দেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
সভায় ৯টি দেশ (কাজাখস্তান, আজারবাইজান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব, উজবেকিস্তান এবং কুয়েত) গাজা পুনর্গঠনে মোট সাত বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আরও পাঁচটি দেশ আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে সেনা পাঠানোর কথা জানায়।
ফিফা জানিয়েছে, ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার একটি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণে ৫০ মিলিয়ন ডলার দেবে তারা। পাশাপাশি ১৫ মিলিয়ন ডলারের একটি ফিফা একাডেমি, ৫০টি ‘মিনি পিচ’ নির্মাণে ২৫ লাখ ডলার এবং পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ মাঠ তৈরিতে আরও ৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে।
ইনফান্তিনো বলেন, ‘শুধু বাড়িঘর, স্কুল, সড়ক বা হাসপাতাল নয়, মানুষের আশা ও বিশ্বাসও পুনর্গঠন করতে হবে। ফুটবল মানে আশা, আনন্দ ও ঐক্য।’
ফিফার এই ভূমিকায় অবশ্য সমালোচনাও হচ্ছে। গাজার বর্তমান ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মাঝে যেখানে লাখ লাখ মানুষ অস্থায়ী তাঁবুতে বাস করছে, সেখানে ৫০ মিলিয়ন ডলারের আধুনিক স্টেডিয়ামকে অনেকে অপ্রাসঙ্গিক বিলাসিতা হিসেবে দেখছেন।
