জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার নিয়মিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রবিবার রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত ক্রীড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন অনিয়মিত থাকা জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার আবার নিয়মিতভাবে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালের পুরস্কার প্রদানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার নিয়মিত করতে আমরা কাজ শুরু করেছি। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পুরস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব। এরপর থেকে প্রতিবছর যেন নিয়মিতভাবে পুরস্কার দেওয়া যায়, সে চেষ্টা থাকবে।’
নির্বাচনী ইশতেহারে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তা, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও অবসরের পর পুনর্বাসন বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে উল্লেখ করেন আমিনুল।
এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিসার নিয়োগে সাবেক ক্রীড়াবিদদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। তৃণমূল উন্নয়নের অংশ হিসেবে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষাক্রমে খেলাধুলা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘শিশুদের ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি স্কুলে ক্রিকেট ও ফুটবলসহ অন্তত পাঁচটি খেলার সুযোগ রাখতে চাই।’
সভায় ক্রীড়া সাংবাদিকরা জেলা-উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত টুর্নামেন্ট আয়োজন, মানসম্মত কোচ নিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, ফেডারেশনগুলোর জবাবদিহি এবং খেলোয়াড়দের চিকিৎসা ও পুষ্টি সহায়তা জোরদারের প্রস্তাব দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব সুপারিশ বিবেচনা করে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। তবে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে বাজেট, জনবল ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলেও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
