সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারি চেয়ারে বসে এক তরুণীর টিকটক ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ঘটনায় উপজেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া ৩ কর্মচারীকে শোকজ এবং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক ও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়— এক তরুণী চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসে টিকটক ভিডিওর শুটিং করছেন।
এদিকে ভিডিওটি প্রকাশের পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন চন্দ্র পাল বলেন, আমরা ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওই তরুণীর বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছি। প্রাথমিকভাবে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ৩ জনকে শোকজ করেছি। এছাড়া উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওই তরুণীর সঙ্গে আরেকটি মেয়ে ছিল বলে জানান ইউএনও।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি মনিরুজ্জামান মোল্যা জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুর কাদির শাফি চৌধুরী এলিম যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার সারা দেশের উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বরখাস্ত করলে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হয়ে যায়।