English

29 C
Dhaka
বুধবার, মে ১৮, ২০২২
- Advertisement -

সিলেটে হরতাল চলাকালে-ছাত্রলীগ-হেফাজত সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

- Advertisements -

সিলেটে হরতাল চলাকালে হেফাজত ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও তিন দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর বন্দরবাজারস্থ কামরান চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

Advertisements

শুরুতে কোন উত্তাপ ছিলো না।। ঢিলাঢালা ভাবেই চলছিলো হরতাল। রোববার (২৭ মার্চ) ভোর থেকে সিলেটে হরতাল পালন হলেও খুব বেশি একটা পিকেটিং লক্ষ্য করা যায়নি। তবে হরতাল ঢিলেঢালা হলেও নগরীতে গাড়ি চলাচল ছিলো না। সিলেট থেকে ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার বাস। তবে বেলা বারার সাথে সাথে হেফাজতের সাথে বহিরাগত যুবকদের যুক্ত হতে দেখা যায়। তাদের যুক্ত হবার পর থেকে বাড়তে থাকে পিকেটিং
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় প্রাথমিকভাবে ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুজন ছাত্রলীগ কর্মী। ঘটনার সময় চার কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পরে সিলেটে থমথমে অবস্থা বিরাজ করে।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জেলা পরিষদের সামনে থেকে হরতালবিরোধী মিছিল নিয়ে চৌহাট্টা পয়েন্ট ঘুরে সাড়ে ১২টার দিকে বন্দরবাজারস্থ কামরান চত্বরে এসে জড়ো হন।
এসয় সিলেট বিভাগীয় ডাকঘরের সামনে থাকা কয়েকজন হেফাজত নেতাকর্মীকে দেখে ছাত্রলীগ ধাওয়া দেয়। তখন হেফাজত নেতাকর্মীরা দৌঁড়ে সিটি সুপার মার্কেটের ভেতরে ঢুকে পড়েন। ছাত্রলীগের ধাওয়ায় সিটি মার্কেটের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে কামরান চত্বরের দিকে নিয়ে যান। পরে ছাত্রলীগ আবারও সংঘবদ্ধ হয়ে হেফাজত নেতাকর্মী এবং ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করলে সংঘর্ষ বাধে। এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অন্তত: ১৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।

সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুজন ছাত্রলীগ কর্মী। এসময় হরতাল সমর্থনকারী চার কিশোরকে আটক করে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে আটককৃতদের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি।

Advertisements

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর থেকে কোর্টপয়েন্টসহ সকল জায়গায় ঢিলেঢালা পিকেটিং চলছিলো। হেফাজতের নেতাকর্মীরা কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান নিলেও নিরুত্তাপ ছিলো কোর্ট পয়েন্ট এলাকা। এমনকি সকাল ১১ টার দিকে তাদের সরিয়েও দিয়েছিলো পুলিশ। কিন্তু বেলা ১২ টার দিকে বেশ কিছু যুবক এসে প্রথমে পিকেটিং শুরু করেন। যার অধিকাংশই ছাত্র শিবিরের কর্মী। হেফাজতের মোড়কে তারা পিকেটিং শুরু করে উত্তাপ ছড়ানোর চেষ্টা করেন। সময়ে সময়ে তাদের সাথে যুক্ত হন হেফাজতের অসংখ্য কর্মী-সমর্থক। এমন অবস্থায় উত্তপ্ত হয়ে উঠে কোর্টপয়েন্টসহ আশপাশের এলাকা। কিন্তু উত্তাপ পেশি সময় ছড়াতে পারেনি পিকেটাররা। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে হরতাল বিরোধী মিছিল বের করলে পিকেটারদের সাথে সংঘর্ষ তৈরি হয়। এমন সময় ছাত্রলীগের কর্মীরা পিকেটারদের ধাওয়া দিলে পিকেটাররা কালীঘাটের দিকে পালিয়ে যান। পিছু নেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। এসময় সময় ইটপাটকেল পড়ে কালীঘাটের একজন শ্রমিকের উপর। তৈরি হয় ত্রিমুখী সংঘর্ষ। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে হরতালের কারণে যান চলাচল কম থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাতে তাদের পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়। সে ক্ষেত্রে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে।

সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন