মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আকাশপথ বন্ধ থাকার কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরতে পারছে না জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল।
গত শনিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৫ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয় জিম্বাবুয়ের। সোমবার দুবাই হয়ে তাদের হারারে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধাবস্থা ও সংকটের কারণে সেই নির্ধারিত ভ্রমণ পরিকল্পনা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে তারা।
ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিম্বাবুয়ের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল। এর মধ্যে সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় একটি দলের রওনা দেওয়ার সূচি নির্ধারিত ছিল। তবে দুবাই ট্রানজিট থাকায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের সেই ফ্লাইটে তাদের যাত্রা সম্ভব হয়নি।
জিম্বাবুয়ে ট্রানজিট জটিলতায় আটকে পড়লেও নিরাপদে দেশে ফিরেছে পাকিস্তান দল। শনিবার কলম্বোয় সুপার এইটের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ রানের জয় পেলেও রান রেটে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে পিছিয়ে থাকায় বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় বাবর আজমরা। কলম্বো থেকে শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে তারা সরাসরি লাহোরে পৌঁছেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই বৈরী পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, তারা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এরই মধ্যে বিকল্প পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংকট টুর্নামেন্ট পরিচালনায় সরাসরি কোনো প্রভাব ফেলছে না। তবে আমরা বুঝতে পারছি, খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট, ম্যাচ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সম্প্রচারকর্মীদের নিজ দেশে ফেরার ক্ষেত্রে দুবাইসহ উপসাগরীয় বিমানবন্দরগুলো গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হিসেবে কাজ করে। আইসিসির ট্রাভেল অ্যান্ড লজিস্টিকস দল শীর্ষ আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন হাব হয়ে বিকল্প রুট নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।’
