সাকিব আল হাসানের প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার সাবেক সতীর্থ তামিম নাঈমুর রহমান দুর্জয় ও মাশরাফি মর্তুজার কথাও উল্লেখ করেন। তাদের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তারা সাবেক অধিনায়ক। তিনজনই একই অবস্থায় আছেন। তাই শুধু একজনকে নিয়ে কথা বলা ঠিক হবে না।’ তামিম জানান, ক্রিকেটীয় জায়গা থেকে বিসিবি তাদের যে কোনো সহায়তা করতে প্রস্তুত।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডহক কমিটির বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তামিম। এর অন্যতম কাউন্টি ক্রিকেটের মতো জাতীয় ক্রিকেট লিগের দলগুলোর দ্বিতীয় একাদশ গঠন করা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সমান্তরালে এ মৌসুম থেকে প্রতিটি বিভাগীয় দলের দ্বিতীয় একাদশ খেলবে তিনদিনের টুর্নামেন্ট। বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটা নির্দিষ্ট শ্রেণির ক্রিকেটারদের জন্যই আমাদের বেশিরভাগ ক্রিকেট। যারা জাতীয় দলে খেলে, তারাই বিপিএল, বিসিএল, এনসিএল খেলে। একটা শ্রেণির খেলোয়াড়েরা ৫-৬টা টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু যারা থার্ড ডিভিশন, সেকেন্ড ডিভিশন বা ফার্স্ট ডিভিশন খেলে, তাদের জন্য এই লিগ খেলা ছাড়া আর কোনো খেলা নেই।’ তামিম মনে করেন, এ কারণেই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সেকেন্ড ডিভিশন বা থার্ড ডিভিশন থেকে কোনো খেলোয়াড়ের জাতীয় দলে আসার ঘটনা তেমন নেই। তারা ওই প্ল্যাটফর্মটাই দিতে চান ক্রিকেটারদের।
মিরপুর স্টেডিয়ামের পূর্ব গ্যালারিতে ক্যানোপি বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। গ্যালারির এই অংশেই শুধু ছাদ নেই। তামিম জানিয়েছেন, পূর্ব গ্যালারির ২৭ হাজার স্কয়ার ফুটজুড়ে লাগানো হবে ক্যানোপি। পুরো মিরপুর স্টেডিয়ামকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার চিন্তাভাবনা রয়েছে। সেটি অবশ্য প্রাথমিক পর্যায়ে।
এদিকে জাতীয় ক্রীড়াপরিষদ অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আয়োজন করতে। তারা দীর্ঘমেয়াদি কাজে হাত দিতে পারে কি না, সংবাদ সম্মেলনে সে প্রশ্নও হয়েছে। জবাবে তামিম বলেন, এই কমিটি অন্তত কিছু কাজের উদ্যোগ নিয়ে যেতে চায়। তার আশা, নির্বাচিত বোর্ড এসে এসব কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে।