জহিরুল ইসলাম মিশু,সিলেট ব্যুরো: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। আগে ব্যাটিং পাওয়া নোয়াখালীর স্কোর হয়ে যায় ৯.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ৪০ রান। ১০০ রানে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হলেও মোহাম্মদ নবি ও হায়দার আলীর ব্যাটিংয়ে উদ্ধার হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৩ রান করে নোয়াখালী। ৩৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করেন নোয়াখালী অধিনায়ক হায়দার আলী। দলটির সর্বোচ্চ স্কোরার তিনিই। নবি ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন।
ঢাকার ইমাদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, জিয়াউর রহমান, নাসির, আবদুল্লাহ আল মামুন একটি করে উইকেট পেয়েছেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন নাসির। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ৩ ওভারে ২৪ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট।
১৩৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ২.৫ ওভারে ২ উইকেটে ১৪ রানে পরিণত হয় ঢাকা ক্যাপিটালস। রহমানউল্লাহ গুরবাজ রানের খাতা খোলার আগেই আউট হয়েছেন। আবদুল্লাহ আল মামুন আউট হয়েছেন ১ রান করে। তিন নম্বরে নামা নাসির দায়িত্ব নিয়ে খেলা শেষ করেছেন। তৃতীয় উইকেটে ইরফান শুক্কুরের সঙ্গে ২৮ বলে ৫৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচটা অনেকটা ঢাকা ক্যাপিটালসের পক্ষে নিয়ে আসেন নাসির। অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে শুক্কুরকে (১২) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন জহির খান। শুক্কুর ফেরার পর ঢাকা ক্যাপিটালসের স্কোর হয়ে যায় ৭.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৩ রান।
বিস্ফোরক এই জুটি ভাঙার পর আর কোনো সুবিধা করতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। চতুর্থ উইকেটে ৪০ বলে ৬১ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন নাসির-ইমাদ। একটা পর্যায়ে দলের জন্য প্রয়োজনীয় রানটা নাসিরের সেঞ্চুরির জন্য যথেষ্টই ছিল। সেক্ষেত্রে তাঁকে বাকি অংশটুকু নিজেরই খেলতে হতো। তাঁর যখন ৮০ রান, তখন ৪৫ বলে ২৬ রানের সমীকরণের সামনে এসে পড়ে ঢাকা। তবে ১৩তম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে জহির খানকে যখন ইমাদ চার ও ছক্কা মারেন, তখন নাসিরের সেঞ্চুরির সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।
১৫তম ওভারের প্রথম বলে রেজাউর রহমান রাজাকে চার মেরে ঢাকাকে ৭ উইকেটের জয় এনে দেন নাসির। ৫০ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় ৯০ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর। নোয়াখালীর হাসান মাহমুদ ৩ ওভারে ১৭ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। জহির খান নিয়েছেন এক উইকেট।
ম্যাচ সেরা হয়েছেন ঢাকার নাসির হোসেন।
