জহিরুল ইসলাম মিশু,সিলেট ব্যুরো: পর্যন্ত ঢাকার বিপক্ষে ৬ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে এখন সিলেট টাইটান্স। রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, সিলেট টাইটান্স দুই দলেরই ৪ পয়েন্ট হলেও +০.১৯৪ নেট রানরেট নিয়ে শীর্ষে রাজশাহী। দুইয়ে থাকা সিলেটের নেট রানরেট +০.০৩৭। হাতে ২ উইকেট নিয়ে আজ সিলেটের বিপক্ষে শেষ ওভারে যখন ঢাকার ২৭ রান দরকার, তখন খেলা জমে ওঠে। মোহাম্মদ আমিরের করা সেই ওভারের প্রথম বলে চার মারেন শামীম। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে দুটি চার মেরে শামীম ঢাকার জন্য সমীকরণটা ২ বলে ১১ রানে নিয়ে আসেন।
পঞ্চম বলটা টপ এজ হয়ে যায় শর্ট থার্ড ম্যান দিয়ে চার হয়ে যায়। শেষ বলে ছক্কা মারলে যখন সুপার ওভারে যাওয়ার সমীকরণ, তখন শামীমকে দারুণ এক ইয়র্কার দেন আমির। ১৭৪ রানের লক্ষ্যে নেমে দলীয় ১ রানেই ভেঙে যায় ঢাকা ক্যাপিটালসের উদ্বোধনী জুটি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে জুবাইদ আকবরিকে (১) দারুণ এক ইনসুইংগারে বোল্ড করেন আমির। দ্বিতীয় উইকেটে এরপর ২৩ বলে ৩৫ রানের জুটি গড়েন সাইফ হাসান ও উসমান খান। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে উসমানকে (২১) বোল্ড করে জুটি ভাঙেন নাসুম আহমেদ।
সিলেটে আজ টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মিঠুন। আগে ব্যাটিং পাওয়া সিলেট টাইটান্সের একটা পর্যায়ে স্কোর ছিল ১৮ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৫ রান। এরপরই দেখা যায় সিলেটের তাণ্ডব। শেষ দুই ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩৮ রান সিলেট যোগ করলে ২০ ওভারে তাদের স্কোর হয় ৫ উইকেটে ১৭৩ রান। ২৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তিনিই দলটির ইনিংস সর্বোচ্চ স্কোরার। ঢাকার সালমান মির্জা নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, সাইফ হাসান ও তাসকিন আহমেদ। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ওমরজাই হয়েছেন ম্যাচসেরা। ঝোড়ো ফিফটির পাশাপাশি ৪ ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ম্যাচ সেরা হয়েছেন সিলেটের ওমরজাইয়।
