সিলিন্ডার গ্যাসের বাজার এখন অস্থির। অনেক জায়গাতেই গ্যাস মিলছে না। আবার মিললেও সুযোগ বুঝে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে নাজেহাল অনেক পরিবার। এই অনিশ্চয়তাকে মোকাবিলা করার জন্য রান্নার প্রক্রিয়া এবং চুলা ব্যবহারের অভ্যাসে পরিবর্তন আনতে পারেন। খরচ সামাল দিতে একটু নিয়ম মেনে রান্না করুন, যাতে খাবার নষ্ট না হয়। আর গ্যাস যাতে কম খরচ হয় সে ব্যাপারে কিছু কৌশল মেনে চলুন। যেমন-
১. গ্যাস কেনার সময়ে ওজন যাচাই করে নিন। যদি দেখেন সিলিন্ডারের ওজন কম তা হলে সেটি নেবেন না। সিলিন্ডারে সঠিক মাত্রায় গ্যাস রয়েছে কিনা তা যাচাই করেই কিনুন। কম গ্যাস থাকলে সিলিন্ডার কম দিন চলবে। এতে খরচ বাড়বে। এর জন্য বাড়িতে একটি ওজন মাপার যন্ত্র রাখতে পারেন। ডেলিভারির সময়ে যাচাই করে নেবেন।
২. কম আঁচে রান্না করুন। তাহলে গ্যাসের সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি খাবারের পুষ্টিগুণও অটুট থাকে। উচ্চ তাপে রান্না করলে বেশি গ্যাস অপচয় হয। সেই সাথে খাবারের গুণ নষ্ট হয়।
৩. খাবার ঢেকে রান্না করুন। ঢাকনা দিয়ে রান্না করলে খাবার তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়ে যায়। এতে গ্যাসও কম খরচ হয়। এ ছাড়া খাবার সিদ্ধ করতে প্রেশার কুকারও ব্যবহার করতে পারলে ভালো।
৪. রান্নার আগে চাল, ডাল এবং অন্যান্য দানাশস্য পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে দানাশস্য নরম হয়ে যাবে। এরপরে সেগুলো সিদ্ধ বসালে দ্রুত রান্না হয়ে যাবে। এতে গ্যাস কম খরচ হবে।
৫. সঠিক বার্নার ব্যবহার করুন। পাশাপাশি বার্নার পরিষ্কার রাখুন। বার্নারে ময়লা জমলে গ্যাস ঠিকমতো বের হয় না। তখন রান্না হতে বেশি সময় লাগে। এর ফলে গ্যাস খরচও বেশি হয়।
৬. রান্না শুরুর আগে সমস্ত উপকরণ হাতের কাছে রাখুন। গ্যাস জ্বালিয়ে তারপরে উপকরণ খুঁজতে যাবেন না। এতেও কিছু গ্যাস নষ্ট হয়। পাশাপাশি পানিসহ কড়াই বা ভিজা পাত্র চুলায় বসাবেন না। তাহলে পানি শুকাতে গিয়ে গ্যাস খরচ বেশি হবে। শুকনো কড়াই চাপালে কিছুটা গ্যাস ও সময় বাঁচবে।
