ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে কোলাজেনের ভূমিকা অপরিহার্য। ত্বক ভাল রাখতে এই উপাদানটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের ত্বক, চুল, নখ এবং টিস্যু ভালো রাখতে খুবই কার্যকরী। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের কোলাজেন উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। ফলে চোখে মুখে পড়ে বয়সের ছাপ। অকালে বুড়িয়ে যায় ত্বক।
তবে এমন কিছু খাবার রয়েছে যা কোলাজেনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষ করে অল্প বয়স থেকেই খাদ্য তালিকায় কিছু খাবার রাখলে, তা অকালে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়। শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে তাই খাদ্যতালিকায় বেশকিছু খাবার যুক্ত করতে পারেন।
শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে কোন ৫ খাবার জরুরি
সাইট্রাস জাতীয় ফল
কমলালেবু, পাতিলেবু, আঙুর, কিউইসহ সাইট্রাস জাতীয় ফলগুলো ভিটামিন সি-তে সমৃদ্ধ। ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরিতে অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত সাইট্রাস জাতীয় ফল খেলে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ে, ত্বক সুস্থ থাকে।
বেরি জাতীয় ফল
স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি বা অন্যান্য বেরি জাতীয় ফল অ্যান্টি অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। বেরি জাতীয় ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি কোলাজেন সংশ্লেষণের জন্য অপরিহার্য। কোলাজেন তৈরি করে এমন এনজাইমগুলোর কার্যকারিতা বাড়ায়। তাই খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের বেরি রাখলে কোলাজেনের মাত্রা ভালো থাকে। যা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে কার্যকর।
সামুদ্রিক মাছ
স্যামন, টুনা, চিংড়ি, লবস্টারের মতো সামুদ্রিক মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা কোলাজেন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ কমায়, ত্বকের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ত্বককে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।
সবুজ শাকসবজি
পালং শাক, সুইস চার্ডসহ পাতাযুক্ত সবজিতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ। এগুলো ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ, যা কোলাজেন তৈরিতে প্রয়োজনীয়। এছাড়া এতে ভিটামিন এ–ও থাকে, যা ত্বকের টিস্যুর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়ক।
বোন ব্রথ
প্রাণীর হাড় ও টিস্যু দীর্ঘক্ষণ সেদ্ধ করে তৈরি করা হয় বোন ব্রথ। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং খনিজ পদার্থ, যা শরীরের কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করে। নিয়মিত বোন ব্রথ খেলে ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়, বয়সের কারণে ত্বক ঝুলে পড়ার ঝুঁকি কমে।
