English

22 C
Dhaka
বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
- Advertisement -

মিমির জন্মদিনে নুসরাতের খোলা চিঠি, কী লেখা আছে এতে

- Advertisements -

জনপ্রিয় দুই টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ও নুসরাত জাহান। ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পর থেকেই দুজনের বন্ধুত্বের শুরু, মাঝে তাদের মধ্যকার ‘শীতল সম্পর্ক’ নিয়েও জল্পনা কম হয়নি। দুজনেই তৃণমূলের সংসদ সদস্যও ছিলেন।  এমনকি ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ঠ যে, টালিপাড়ায় তাদের একসঙ্গে ‘বোনুয়া’ ডাকা হয়।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মিমি চক্রবর্তীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই অভিনেত্রীকে নিয়ে স্মৃতিমাখা এক খোলা চিঠি লিখেছেন নুসরাত জাহান।

নুসরাত বলেন, ‘আমি মিমির অনেক জন্মদিনের সাক্ষী। আমরা একসঙ্গে পার্টি করেছি। আর হইহুল্লোড় শেষে ঈশ্বরকে বলেছি, মিমি যেন একটুও না বদলায়। যেমন আছে তেমনই থাকুক। সুখে থাকুক, শান্তিতে থাকুক। পরস্পরের অনেক ভালো-খারাপ সময়ের সাক্ষী আমরা। মিমিকে তাই আগলে রাখার দায়িত্ব আমার। টালিউড আমাদের ‘বোনুয়া’ নাম দিয়েছে। তুই নিশ্চিন্তে থাক। আজীবন তোর পাশে থাকবে তোর ‘বোনুয়া’।’

বন্ধুত্বের শুরুর দিনগুলোর কথা মনে করে নুসরাতের ভাষ্য, ‘যোদ্ধা সিনেমার শুটিং সেট থেকে এই পথচলার শুরু। এসভিএফ-এর অফিসে প্রথম দেখা, এরপর একসঙ্গে নাচের মহড়া। সেই পনেরো দিনের আউটডোর শুটিংয়েই একে অপরের ছায়াসঙ্গী হয়ে ওঠা।’

তাদের পুরোনো এক স্মৃতির কথা উল্লেখ করে নুসরাত বলেন, আমরা ব্যাংককে শুটিং করতে গিয়েছি। সারা দিন রোদের নিচে শুটিং। ত্বক পুড়ে ঝামা। কাজ শেষে দুই বান্ধবী মিলে এত্ত টমেটো কিনে এনেছি! হোটেলে ফিরে সেগুলো চাকা চাকা করে কেটে একে অন্যের গায়ে ঘষেছি।

ভালো সময়ের সঙ্গে দুজনের মনোমালিন্যের বিষয়টিও সামনে আনেন তিনি। এ প্রসঙ্গে নুসরাত জানান, মিমি বরাবরের ‘ডেয়ার ডেভিল’। ওর চোখে কোনো কিছু অন্যায় মানেই তার প্রতিবাদ করবে। এখনকার মিমি তো অনেক পরিণত। আমি ‘বাচ্চা’ মিমিকেও দেখেছি। সেই ছেলেমানুষ মিমির রাগ হলেই ঝগড়া করে নেয়। আমাদের মধ্যে কম ঝগড়া হয়েছে? টিমের সামনেই প্রচণ্ড ঝগড়া করেছি। রাতে ফাটাফাটি রাগ। পরের দিন সকালে মিমির ভালো ছবি কেউ তুলে দিতে পারছে না। আমি গিয়ে ছবি তুলে দিতেই আবার ভাব হয়ে যেত।

বর্তমানে ব্যক্তিগত জীবন ও কাজের ব্যস্ততায় আগের মতো একসঙ্গে আর সময় কাটানোর হয় না মিমি-নুসরাতের। সম্পর্কে মান-অভিমান চললেও তাদের বন্ধুত্ব এখনো যে আগের মতোই আছে তা উল্লেখ করে নুসরাতের ভাষ্য, ‘আমরা এখন বড় হয়েছি। আমার সন্তান আছে, মিমিও নিজের সংসার ও কাজ নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু এর মানে এই নয় যে বন্ধুত্ব শেষ হয়ে গেছে। মান-অভিমান থাকতে পারে, কিন্তু বন্ধুত্বের মৃত্যু হয়নি।’

The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/sm0y
Notify of
guest
0 মন্তব্য
সবচেয়ে পুরাতন
সবচেয়ে নতুন Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Advertisements
সর্বশেষ
- Advertisements -
এ বিভাগে আরো দেখুন