English

21 C
Dhaka
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৭, ২০২২

মাদক খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করেছিলেন ম্যারাডোনা!

- Advertisement -spot_img

মরে গিয়েও শান্তি নেই ফুটবল রাজপুত্রের! মৃত্যুর একবছর পূর্তির দু’দিন আগেও বিতর্ক ছাড়ল না ফুটবলের রাজপুত্র দিয়োগো আর্মান্দো ম্যারাডোনার। এবার তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুললেন এক কিউবান যুবতী।
ম্যারাডোনা আর অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ছিল প্রায় সমার্থক। তার অকাল মৃত্যুর কারণ হিসেবে এই অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনই দায়ী বলে মনে করেন অনেকেই। ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল- তিনি ধূমপান, মদ্যপান এবং নানা ধরনের মাদক জাতীয় দ্রব্য সেবন করতেন যথেচ্ছ।

শুধু তাই নয়, নারীদের প্রতি আকর্ষণও কম ছিল না তার। বহুবার তাকে জড়িয়ে নানা কেলেঙ্কারিও প্রকাশিত হয়েছে। এবার তার মৃত্যুর প্রায় এক বছর পর মাভিস আলভারেজ রেগো নামে এক কিউবান নারী অভিযোগ করলেন, প্রায় বছর ২০ আগে ম্যারাডোনা তাকে যৌন হেনস্থা এবং ধর্ষণ করেন।
সেই নারী রেগোর বয়স বর্তমানে ৩৭ বছর। ২০ বছর আগে, তিনি যখন নাবালিকা ছিলেন, বয়স ১৬ প্লাস। এ সময় তার সঙ্গে দেখা হয় ম্যারাডোনার। বুয়েন্স আয়ার্সের এক সংবাদমাধ্যমকে রেগো জানিয়েছেন, ১৬ বছর বয়সে তার সঙ্গে ম্যারাডোনার দেখা হয়েছিল।
ফুটবল রাজপুত্র ম্যারাডোনা রেগোর অনিচ্ছা সত্বেও তাকে জড়িয়ে ধরতেন। ওই সময় যৌন হেনস্তা এবং শেষ পর্যন্ত তাকে ধর্ষণও করেছিলেন।
রেগোর সঙ্গে কিউবাতেই দেখা হয় ম্যারাডোনার। ওই নারী নিজেই জানিয়েছেন, সে সময় কিউবায় মাদক সংক্রান্ত সমস্যার কারণে চিকিৎসা চলছিল ম্যারাডোনার। বুয়েন্স আয়ার্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘হাভানায় প্রথম দেখাতেই আমি বিমোহিত হয়ে যাই। আমাকে তিনি একেবারে জিতে নিয়েছিলেন।’

কিন্তু মাস খানেকের মধ্যে মোহভঙ্গ হয়। রেগো অভিযোগ করেন, তাকে জোর করে কোকেন নিতে বাধ্য করেছিলেন ম্যারডোনা। এরপরই তাকে তিনি ধর্ষণ করেন। যখন এ ঘটনা ঘটাচ্ছিলেন, তখন ক্লিনিকে পাশের রুমেই ছিলেন তার (ম্যারাডোনার) মা।
আলভারেজ বলেন, ‘তিনি আমার মুখ চেপে ধরেছিলেন। এরপর ধর্ষণ করেন। আমি এতটা চরম পর্যায়ের কিছু তার পক্ষ থেকে হতে পারে, তা ভাবিওনি। আমার জীবনটাই যেন তখন থমকে দাঁড়িয়েছিল। আমার কৈশোর তিনি চুরি করে নিয়েছেন। বালিকাসূলভ যে জীবন ছিল তা তিনি কেড়ে নিয়েছিলেন। এটা খুবই কঠিন যে, যখন কিশোরী থাকা অবস্থায় কেউ এমন কোনো ঘটনার শিকার হয়, তখন সে নিজেকে আর বিশুদ্ধ ভাবতে পারে না।’
বর্তমানে দুই সন্তানের মা রেগো এরপর বলেন, ‘চার-পাঁচ বছর সম্পর্ক ছিল আমাদের। আমি তাকে ভালবাসতাম; কিন্তু ঘৃণাও করতাম। এমনকি আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলাম।’
ম্যারাডোনার সর্বশেষ যে আইনজীবী ছিলেন, সেই ম্যাতিয়াস মোরলার কাছে এ নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছিলেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এবং আলোচিত খেলোয়াড় ম্যারাডোনার। তার সেই মৃত্যু নিয়েও এখনও রহস্য রয়েছে। মৃত্যুর আসল কারণ কী তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে এখনও।
সাবস্ক্রাইব
Notify of
guest
0 মন্তব্য
Inline Feedbacks
View all comments
সর্বশেষ
- Advertisement -spot_img
এ বিভাগে আরো দেখুন