ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার বড় পদক্ষেপ নিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। কংগ্রেস নেতার নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালতের লখনউ বেঞ্চ।
আজ শুক্রবার এই নির্দেশ দেওয়ার সময় আদালত জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশ সরকারকে নিজে থেকেই এই তদন্ত পরিচালনা করতে হবে অথবা প্রয়োজনে কোনো কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের ব্যবস্থা করতে হবে।
পুরো ঘটনার সূত্রপাত কর্ণাটকের বিজেপি কর্মী এস বিঘ্নেশ শিশিরের দায়ের করা একটি আবেদনকে কেন্দ্র করে। এর আগে লখনউয়ের একটি বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালত গত ২৮ জানুয়ারি রাহুলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছিল। সেই সময় নিম্ন আদালত জানিয়েছিল যে, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার তাদের নেই। নিম্ন আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আবেদনকারী।
আবেদনকারীর অভিযোগ, রাহুল গান্ধী ভারতীয় আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এই মর্মে তিনি ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং পাসপোর্ট আইনসহ একাধিক ধারায় তদন্তের দাবি জানান।
উল্লেখ্য যে, মামলাটি প্রথমে রায়বেরেলির আদালতে দাখিল করা হলেও গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এটিকে লখনউতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়। উচ্চ আদালতের আজকের এই নির্দেশের ফলে রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি মোড় নিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের বিশেষজ্ঞরা।
