মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করার দাবি জানিয়েছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী। তাছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অনেকগুলো কমিশন হলেও পৃথক শিক্ষা কমিশন গঠন না হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন তিনি।
সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য সংলাপ: শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এক সংলাপে এ দাবি জানান তিনি। সংলাপটি আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে রূপান্তর করতে হবে। তাছাড়া বিভিন্ন স্কুলে উচ্চ ফির কারণে গরিব সন্তানরা লেখাপড়া করতে পারে না। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ১৩ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয়। তাই মাধ্যমিক পর্যন্ত অবৈতনিকভাবে শিক্ষা দিতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি বড় অপারেশন এদেশের ডাক্তাররা করেছেন। সেখানে হয়তো বাংলাদেশি বংশদ্ভূত বিদেশি ডাক্তাররা সাপোর্ট দিয়েছে। কিন্তু এটি আমাদের জন্য মাইলফলক হিসেবে থাকবে।
সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মো. কামরুল হাসান, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা প্রমুখ।
The short URL of the present article is: https://www.nirapadnews.com/lgxe